![]() |
| সরিষাবাড়ীতে কামরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান খান। |
সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৭নং কামরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান খানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, একক সিদ্ধান্তে দাপ্তরিক কাজকর্ম পরিচালনা, কার্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে ভাইকে দিয়ে কাগজপত্রে জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ উঠেছে।
এ সব অভিযোগে পরিষদের ১২জন সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা একযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অনাস্থা দিয়েছেন। শনিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অনাস্থাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান খান শপথ গ্রহণের পর থেকেই একক সিদ্ধান্তে পরিষদের সকল কাজকর্ম পরিচালনা করে আসছেন। ব্যক্তিগত কাজে মাসের অধিকাংশ দিন তিনি রাজধানীতে অবস্থান করার কারণে তাঁর ছোটভাই মোশারফ হোসেনকে দিয়ে নাগরিকত্ব সনদ, জন্ম, মৃত্যু ও ওয়ারিশান সনদপত্র, ট্রেড লাইসেন্সসহ সকল কাগজপত্রে জাল স্বাক্ষর করানো হয়।
অনাস্থাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান খান শপথ গ্রহণের পর থেকেই একক সিদ্ধান্তে পরিষদের সকল কাজকর্ম পরিচালনা করে আসছেন। ব্যক্তিগত কাজে মাসের অধিকাংশ দিন তিনি রাজধানীতে অবস্থান করার কারণে তাঁর ছোটভাই মোশারফ হোসেনকে দিয়ে নাগরিকত্ব সনদ, জন্ম, মৃত্যু ও ওয়ারিশান সনদপত্র, ট্রেড লাইসেন্সসহ সকল কাগজপত্রে জাল স্বাক্ষর করানো হয়।
এছাড়া পরিষদের উন্নয়নে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ এককভাবে বন্টন ও সিংহভাগ আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১% বরাদ্দ তিন লাখ টাকা এবং প্রথম পর্যায়ের এক লাখ ৮৪ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় পর্যায়ের চার হাজার ৫০০ মে. টন জিআর চাল একই প্রকল্পে বরাদ্দ দিয়ে পুরোটা আত্মসাৎ করেন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এলজিএসপি-২ প্রকল্পে ইউপি সদস্য-সদস্যাদের নামেমাত্র প্রকল্প সভাপতি বানিয়ে নিজে ও পরিবারের লোকদের জাল স্বাক্ষরে সব অর্থ তোলে নেন। বিষয়টি তখন কেউ না জানলেও পরবর্তীতে জানাজানি হলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
৭নং ওয়ার্ড সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বিলাত হোসেনসহ ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করেন, ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের কারণে গত বছরও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। তখন তিনি সঠিকভাবে পরিষদ পরিচালনা ও সমন্বয় করে চলবেনÑ বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কোন পরিবর্তন হয়নি।’
অভিযোগ অস্বীকার করে কামরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান খান জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে লাভ হবে না। গত বছরও অনেকেই অভিযোগ দিয়েছিল, কিছুই হয়নি। কাজ করতে গেলে ত্রুটি হবেই। এসব পত্রিকায় দিলে সম্মানহানী হবে।
অনাস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কামরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সদস্যদের অনাস্থাপত্র পেয়েছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
৭নং ওয়ার্ড সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বিলাত হোসেনসহ ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করেন, ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের কারণে গত বছরও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। তখন তিনি সঠিকভাবে পরিষদ পরিচালনা ও সমন্বয় করে চলবেনÑ বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কোন পরিবর্তন হয়নি।’
অভিযোগ অস্বীকার করে কামরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান খান জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে লাভ হবে না। গত বছরও অনেকেই অভিযোগ দিয়েছিল, কিছুই হয়নি। কাজ করতে গেলে ত্রুটি হবেই। এসব পত্রিকায় দিলে সম্মানহানী হবে।
অনাস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কামরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সদস্যদের অনাস্থাপত্র পেয়েছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’



খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।