![]() |
| সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. ইউনুস আলী সরকার নৌকা প্রতীক প্রার্থী ভোট দিচ্ছেন। |
আজ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহন চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এই আসনের ২০টি ইউনিয়নের ১৩২ টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার ৪ লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন ভোটার।
এই নির্বাচনে গাইবান্ধা- ৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) সংসদীয় এ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে মহাজোটের তিন প্রার্থী। তারা হলেন- সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. ইউনুস আলী সরকার নৌকা, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী লাঙ্গল ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (ইনু) কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদির মশাল মার্কা বা প্রতিক। অপর দুই প্রার্থী এনপিপির মিজানুর রহমান তিতু আম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ (নিউ) এর সিংহ মার্কা বা প্রতিক। এদের মধ্যে মহাজোটের তিন প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে বলে সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন।
এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। ২০ প্লাটুন র্যাব ও বিজিবি, আড়াই হাজার পুলিশ, এক হাজার ৫৮৪ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত আছে নির্বাচনের মাঠে। এ ছাড়া একজন করে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দুই উপজেলার ২০ টি ইউনিয়নে সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম তফশীলের আটজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর এই আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মারা গেলে ৩০ ডিসেম্বর এই আসনের ভোটগ্রহন বন্ধ থাকে। পরে ২৩ ডিসেম্বর পুনঃতফশীল অনুযায়ী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীসহ চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলে পরদিন মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এদিন শুধু বৈধ ঘোষণা করা হয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। এরপর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীসহ প্রথম তফশীলের বৈধ প্রার্থী বাসদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলে ভোটের মাঠে থাকেন আওয়ামী লীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টি, এনপিপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, নির্বাচন চলাকালীন সিভিলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ অন্যান্য সহযোগী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এখানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। গত ৩০ তারিখের নির্বাচনের মহাযজ্ঞ যেহেতু আমরা গাইবান্ধায় ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। তাই এই একটি আসনের নির্বাচন আমরা চ্যালেঞ্জ মনে করছি না। আমরা আশা করি জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যাওয়া আসা খুবই নিরাপত্তার সাথে হবে।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানিং অফিসার আবদুল মতিন বলেন, সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ন নির্বাচন সফল করার লক্ষে র্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনছার কাজ কারছে। ভোটাররা তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট প্রয়োগ করবে। এই নির্বাচন সুষ্ঠ করতে আমাদের পক্ষ থেকে সকল কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট মনোনিত প্রার্থী হন সাবেক মন্ত্রী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী। তিনি গত ১৯ ডিসেম্বর মারা গেলে ২০ ডিসেম্বর ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
পরবর্তীতে পুনঃতফসিল মোতাবেক আজ ২৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহন চলছে।
⇘সংবাদদাতা: গাইবান্ধা প্রতিনিধি


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।