
সেবা ডেস্ক: ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। যার নানা ধরণের মানবিক কাজের জন্য কর্মীরা তাকে খেতাব দিয়েছেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে। নানা ধরণের ইতিবাচক কাজ করে ক্যামেরাবন্দী হতে দেখা গেছে তাকে নানা সময়ে। ময়লা পরিষ্কার, রিকশাওয়ালার পাশে দাড়াঁনো, শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ, কিংবা অসহায় শিক্ষার্থীর শিক্ষা খরচ বহনের ঘোষণা দিয়ে তিনি নানা সময়ে আলোচনায় এসেছেন।
কর্মীদের দেওয়া সেই মানবতার ফেরিওয়ালা গোলাম রাব্বানী এবার কৃষক হয়ে হাজির হয়েছেন। সারাদেশে কৃষকরা যখন ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত তখন সাংগঠনিকভাবে ছাত্রলীগকে ধান কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আগেই।
সেই নির্দেশ দেওয়ার পরদিনই কোমরে গামছা বেধে হাতে কাচি নিয়ে ধান কাটতে নেমে গেছেন গোলাম রাব্বানী। এ যেন পুরোদস্তুর এক কৃষক। ঢাকার কাছেই সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের শুক্কুর আলীর ধান কেটে দিয়েছেন। ২২ মে, বুধবার ভর দুপুরে কর্মী বাহিনী নিয়ে শুক্কুর আলীর ধান ক্ষেতে হাজির হয়ে ২ ঘন্টার মধ্যে কেটে দিয়েছেন ১০ কাঠা জমির ধান।
ধান কাটা নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় গোলাম রাব্বানী বাংলা রানারকে বলেন, “ধানের প্রচুর উৎপাদনের ফলে কৃষক প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না। একদিকে ধানের ন্যায্য দাম নেই অন্যদিকে মজুরের দাম অনেক বেশি। তাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল ইউনিটের নেতা-কর্মীদের আমরা কৃষকের ধান কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এই কাজে নেতা-কর্মীদের উৎসাহ দিতেই আমি নিজে তাদের সাথে ধান কাটতে নেমেছি।”
ইতিবাচক কাজের জন্য অনেকেই ‘কৃষক’ গোলাম রাব্বানীর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে তার প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ আবার সমালোচনা করে বলছেন তিনি “লোক-দেখানো” কাজ করছেন। সমালোচনার বিষয় প্রশ্ন করতেই গোলাম রাব্বানীর তড়িৎ উত্তর, “এমন কাজ আমি গত ১৩ বছর ধরে করে আসছি এবং আমৃত্যু করে যেতে চাই।”
গন মাধ্যমকে এই ছাত্রনেতা বলেন, “সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, পাছে লোকে কিছু বলে- এগুলো ভেবে কাজ করি না। নিজের বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে কাজ করি। যারা বলে ‘লোক দেখানো’, আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলব আপনারা লোক দেখানোর জন্য হলেও ভাল কাজ করুন। যে সমালোচনা করে তাকে বলুন সে যেন তার কাছের কৃষককে হেল্প করে। যারা ট্রল করছেন তারা বুদ্ধির আড়ষ্টতায় ভূগছেন।”
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।