
সেবা ডেস্ক: যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় ১৪ বছরের এক গৃহ পরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের অভিযোগে একই বাড়ির কেয়ার টেকার সিদ্দিকুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার মামলায় রোববার সিদ্দিকুর রহমান আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. বুলবুল ইসলাম জবানবন্দি শেষে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। সিদ্দিকুর রহমান নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ও যশোর শহরের বেজপাড়া রানার অফিসের সামনে সৃষ্টি ভবন বাড়ির কেয়ার টেকার।
সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, ওই ভবনের ৫ম তলায় বসবাস করে মুরাদ হোসেন ও তার পরিবার। মুরাদ হোসেন ব্যবসা করেন। ব্যবসার কাজে তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করেন।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে মুরাদ হোসেনের বাড়ির গৃহ শিক্ষক জুয়েল তৃতীয় শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ছেলে শাহরিয়ার ওরফে কাশমিরকে পড়াতে আসেন। পর দিন শুক্রবার বিকেলে বাসা থেকে চলে যান। বিষয়টি কেয়ারটেকার সিদ্দিকুর রহমান ওই ভবনের মালিক সজল ব্যানার্জীকে জানান। এরপর মুরাদ হোসেন ও তার স্ত্রী শান্তা ইসলাম তার বাড়ির গৃহপরিচারিকাকে কেয়ারটেকার সিদ্দিকুর রহমান গত ২৩ এপ্রিল রাতে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। গৃহপরিচারিকা ওই বাড়িতে বিগত ৪ মাস যাবত কাজ করে আসছে।
অপরদিকে, গৃহপরিচারিকা জানান, গত ২৩ এপ্রিল রাত ১ টার দিকে কেয়ার টেকার তার কক্ষে টেলিফোন করেন। ফোন রিসিভ করার পর কেয়ার টেকার সিদ্দিকুর রহমান কথা আছে বলে তাকে ছাদে যেতে বলেন। না গেলে তার ক্ষতি হবে বলে জানালে সে ভয়ে ওই রাতে ভবনের ছাদে যায়।
সেখানে সিদ্দিকুর রহমান তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এর পর তাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। গত শুক্রবার রাতে কেয়ার টেকার ডেকে ভয়ভীতি দেখানোর এক পর্যায় জুতা দিয়ে মারপিট করে গৃহপরিচারিকাকে। মুরাদ হোসেন ও তার স্ত্রী শনিবার দুপুরে এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করলে থানার এসআই ইকবাল মাহমুদ সিদ্দিকুর রহমানকে আটক করেন।
রোববার আদালতে সোপর্দ করা হলে ধর্ষণের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। একই দিন গৃহপরিচারিকাও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।