![]() |
| ছবিতে: নিহত উজ্জল মিয়া। |
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তার বন্ধু প্রতিবেশি নবী হোসেনের ছেলে মমিন মিয়ার সাইকেলের পিছনে বসে ঝগড়াচর বাজারে যাচ্ছিল। এ সময় কাউনেরচর গ্রামের আকতারের বাড়ি পাশে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদেরকে চাপা দেয়। এতে মমিন মিয়া ছিটকে সড়কের গর্তে পড়ে গেলেও উজ্জল মিয়া ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে। ঘাতক ট্রাক আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়। ট্রাক নং ঢাকা মেট্রো-১৪-৬৪৩২।
বুকফাটা কান্না জড়িত কন্ঠে নিহত উজ্জলের মা মিনু আরা বেগম বলেন, আজ বিকালে ভাত খায়। পরে উজ্জল আমারে কয়, মা আমি ঝগড়ারচর বাজারে যামু। তারাতারি চইলা আইমু। বাড়ি থেকে বের হওয়ার একটু পরেই খবর আসে আমার উজ্জল ট্রাকের নিচে পড়ে মারা গেছে। আমি এই কষ্ট ক্যামনে সইমু? এ সময় উজ্জলের বাবা লুৎফর রহমান বলেন, উজ্জল আমারে কইতো আমি বড় হয়ে সৈনিক হমু। অহন আমার সব আশা শেষ অইলো। প্রথম আলো ইসলামী বিদ্যা নিকেতনের সহকারি শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, উজ্জল ক্লাশে মেধাবি ছাত্র ছিল। খেলা ধূলায় বেশ পারদর্শী ছিল।
নিয়মিত ক্লাশ করতো। এ ঘটনায় আমরা একজন মেধাবি ছাত্র হারালাম। এ সময় উজ্জলকে এক নজর দেখতে আশপাশের লোকজনসহ তার সহপাঠিরা ভির জমায়। সবার চোখে জল। সৃষ্টি হয় এক শোকাবহ পরিবেশ। এ ঘটনায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস পৃথকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ সানোয়ার হোসেন।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।