
সেবা ডেস্ক: বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবহারকারী গ্রাহক এককভাবে কোনো পণ্য বা সেবামূল্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ ডলার পর্যন্ত পরিশোধের সুযোগ নিতে পারেন। আর এক্ষেত্রে অনেকেই এই সুযোগের অপব্যবহার করছেন।
আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন রোধে গ্রাহকদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে কোন পণ্য ও সেবা কেনা হবে, ওই ফরমে তার বিবরণ উল্লেখ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে পণ্য ও সেবার বৈধ কেনাকাটায় বিপরীতে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডে ইস্যুকৃত এ ডলার ব্যবহার করা যাবে। বাংলাদেশে উত্পাদিত কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ে তা করা যাবে না। এ বিষয়টি কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে।
এতে বিশেষভাবে অবৈধ বিভিন্ন পেমেন্ট যেমন অনলাইনে জুয়া খেলা, বৈদেশিক লেনদেন, বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনাবেচা, ক্রিপ্টো কারেন্সি ও লটারির টিকিট কেনার কাজে এ কার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, এখন থেকে গ্রাহকদের অনলাইন ট্রানজেকশন অথরাইজেশন ফরম বা ওটিএএফ পূরণ করে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এরপর সেটি যাচাই-বাছাই করবে ব্যাংক। কোনো অসঙ্গতি না পেলে গ্রাহকরা ক্রেডিট কার্ডের ওই ডলার ব্যবহারের অনুমতি পাবে। ক্রয়কালীন লেনদেনের ক্ষেত্রে কর বা শুল্ক প্রযোজ্য হলে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডধারী ব্যক্তিকে তা পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পণ্য কেনাকাটায় আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড (আইসিসি) ব্যবহারকারী গ্রাহকদের এককভাবে কোনো পণ্য বা সেবামূল্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ ডলার পর্যন্ত পরিশোধের সুযোগ দেয়া হয়। তবে বছরে তা কোনো অবস্থাতেই এক হাজার ডলারের বেশি হবে না।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডধারী ব্যক্তিরা বিদেশের বিভিন্ন খ্যাতিমান ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে বৈধ পণ্য ও সেবা ক্রয় করতে পারেন।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।