
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: করোনা ভাইরাসে লকডাউনে থাকার গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন হোটেল দোকানপাট বন্ধ থাকায় খাবার সংকটে পড়ে মানুষিক ভারসাম্যহীন মানুষ গুলো। খেয়ে না খেয়ে তারা মানবতের জীবনযাপন করছে। স¤প্রতি এমন একটি খবর বেসরকারী টেলিভিশন এসএ টিভিতে স¤প্রচার হওয়ার পর জেলা পুলিশ এই সব অসহায় মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের দায়িত্ব নেন। পৌর শহরের রাস্তা ঘাটে জীবন যাপন করায় প্রতিরাতে তাদের খাবার বিতরন সহ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন ।
১৪ জুন রবিবার শহরের ষ্টেশন রোড় এলাকা থেকে ভারসাম্যহীন হাতে পায়ে শিকল বাধা সেলিমকে নিয়ে আসা হয় সদর থানায় চত্বরে এর পর তাকে গোসল করিয়ে নতুন পোশাক পড়িয়ে খাবার খাইয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনার মানসিক হাসপাতালে মাইক্রোবাস যোগে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
এ সময় সেলিমের বাবা সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলে গত কয়েক বছর থেকে অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে বাড়িতে থাকে না টাকার অভাবে ওকে চিকিৎসা করাতে পারিনা । আজ পুলিশের সাহায্যে সুচিকিৎসার জন্য তাকে পাবনা হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে এতে আমি অনেক খুশি।
অন্যদিকে মানবাধিকার কমী সালাউদ্দিন কাশেম বলেন সমাজের এই মানুষের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার দরকার । এবিষয়ে নিরাপদ চিকিৎসা চাই এর গাইবান্ধা জেলার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, প্রতিটি মানুষের চিকিৎসার পাবার অধিকার আসে ,সুচিকিৎসা পেলে একটা অসুস্থ মানুষও দ্রুত ভাল হয়ে ওঠে। আজ আমরা পাগল সেলিমকে নিয়ে পরিবারের সাথে পাবনায় যাচ্ছি।
মানুষিক ভারসাম্যহীন সেলিম কে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজে ছিন্নমুল মানুষ গুলো পাশে দাড়িয়ে তাদের সেবা প্রদানে জেলা পুলিশ সব সময় কাজ করে আসছে। আগামীতে এভাবে কাজ করে যাবে। মিডিয়ার মাধ্যমে অসহায় মানুষ গুলোর খবর জানতে পারায় এ জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানার অফিসার ইনচাজ খান মোঃ শাহারিয়া, টি আই এডমিন নুর আলম সিদ্দিক, মানবাধিকার কমী সালাউদ্দিন কাশেম ,নাজিম আহম্মেদ রানা ,নিরাপদ চিকিৎসা চাই জেলার সাধারন সম্পাদক জিয়াউর সহ বিভিন্ন সাংবাদিকবৃন্দ।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।