![]() |
| পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান |
কৃষকদের জন্য বৈশাখী উপহার: পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ
দেশের কৃষি ও কৃষকের ভাগ্য বদলে দিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া নিয়ে আসছে সরকার। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই বিশেষ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে। সেই ধারাবাহিকতায় ক্রীড়া কার্ডের পর এবার আসছে ‘কৃষক কার্ড’।”
পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৯ উপজেলা:
প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো— টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এই কর্মসূচিটি সরাসরি বাস্তবায়ন করবে।
কৃষকরা যেসব সুবিধা পাবেন:
এই কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।
এছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে সরকার নির্ধারিত হারে বিশেষ আর্থিক অনুদানও প্রদান করা হবে। কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সংগ্রহ সহজতর হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে।
এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এই প্রকল্পের অগ্রগতি যাচাই করা হয়। প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাক-পাইলট পর্যায়ে ইতিমধ্যে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ডিজিটাল এই কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।