আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অনুপ্রেরণা ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব। যার অনুপ্রেরণায় বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা হতে পেরেছিলেন।’
শনিবার বিকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমীর ৬ নম্বর চিত্রশালা গ্যলারীর মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলেন বাঙ্গালী নারী জাতির রোল মডেল। আমার সৌভাগ্য হয়েছে তার স্নেহের সান্নিধ্য লাভ করার, ছাত্রলীগ করার সুবাদে আমি তাকে খুব কাছে থেকে দেখেছি। এই মহীয়সী নারী তার সমস্ত জীবন নেতা কর্মীদের জন্য উত্সর্গ করেছেন।
তিনি বলেন, আমির হোসেন আমু বলেন, বেগম মুজিব টুঙ্গিপাড়ায় থাকতেন। বঙ্গবন্ধু কলকাতায় লেখাপড়া করতেন। তিনি দীর্ঘদিন পর বাড়ি আসতেন কোনো বিশেষ দিনে। কিন্তু বেগম মুজিব কোনোদিন তার অনুপস্থিতির অভিযোগ করেননি। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল বাঙালী জাতির মুক্তি। বেগম মুজিবও তার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত ছিলেন।
এ দেশে বহু রাজনীতিবিদ শুধু পারিবারিক পিছুটানের কারণে হারিয়ে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর যদি পিছুটান থাকত, যদি তার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতেন, তবে হয়তোবা আমাদের জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত।
বঙ্গমাতা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, তিনি কোন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নেননি, রাষ্ট্রীয় কোন আনুষ্ঠানেও তিনি যাননি, নিরবে নিভৃতে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সাহস যুগিয়েছেন। দলের দুঃসময়ে তিনি নিজের গহনা ও সংসারের দ্রব্য সামগ্রী বিক্রি করে নেতা কর্মীদের অর্থ যুগিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও জীবনের ঝুকি নিয়ে দেশের জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন।
যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস শহীদ সেরনিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, মো. ফারুক হোসেন, মাহাবুবুর রহমান হিরন, আতাউর রহমান আতা, মো. আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।

