ডাঃ জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ঃ
প্রবল বর্ষন ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্লাবিত হয়ে পড়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার ৫০টি গ্রাম। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ।
এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তলিয়ে গেছে আমন ক্ষেতসহ নদী তীরবর্তী এলাকার ঘর-বাড়ী। গ্রামাঞ্চলের কাচা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস'া ভেঙ্গে পড়েছে। প্রবল বর্ষনের কারনে জেলা শহরে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
স'ানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৬৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৭২ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্ট ৯৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ১২ ঘন্টায় কুড়িগ্রামে ২০৭ মিলিমিটার, চিলমারীতে ১৯৮ মিলিমিটার এবং কাউনিয়ায় ২৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
প্রবল বর্ষন ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্লাবিত হয়ে পড়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার ৫০টি গ্রাম। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ।
এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তলিয়ে গেছে আমন ক্ষেতসহ নদী তীরবর্তী এলাকার ঘর-বাড়ী। গ্রামাঞ্চলের কাচা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস'া ভেঙ্গে পড়েছে। প্রবল বর্ষনের কারনে জেলা শহরে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
স'ানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৬৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৭২ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্ট ৯৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ১২ ঘন্টায় কুড়িগ্রামে ২০৭ মিলিমিটার, চিলমারীতে ১৯৮ মিলিমিটার এবং কাউনিয়ায় ২৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।