প্রেমের টানে জামালপুরের ইসলামপুরে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছনে এক পোশাক শ্রমিক। উপজেলার যমুনার দূর্গম চরাঞ্চলে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গাজীপুরের চান্দুরা এলাকার এক পোশাক শ্রমিকের সাথে ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ধর্মকুড়া গ্রামের মুইলে দেওয়ানীর ছেলে নূর নবীর মোবইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ৩১ জুলাই নূর নবী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঐ পোশাক শ্রমিককে ইসলামপুরে ডেকে নিয়ে আসে। পরে তাকে যমুনার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ৬ দিনব্যাপী আটক রেখে নূর নবী তার ১২/১৩ জন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
মঙ্গলবার রাতে জাহাঙ্গীর ও ইদ্রীস নামে দুইজন মোটরসাইকেল যোগে ঐ পোশাক শ্রমিককে বন্ধুর স্ত্রী পরিচয়ে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের জনৈক খোকার বাড়িতে রেখে যায়। পরে তিনি (পোশাক শ্রমিক) ঐ বাড়ির মালিক খোকার স্ত্রী হাওয়া বেগমকে গণধর্ষনের বিষয়টি জানান।
হাওয়া বেগম তাৎক্ষণিক ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যান মশিউ রহমান বাদলকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ বুধবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইসলামপুর থানার ওসি দ্বীন-ই-আলম জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জানা যায়, গাজীপুরের চান্দুরা এলাকার এক পোশাক শ্রমিকের সাথে ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ধর্মকুড়া গ্রামের মুইলে দেওয়ানীর ছেলে নূর নবীর মোবইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ৩১ জুলাই নূর নবী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঐ পোশাক শ্রমিককে ইসলামপুরে ডেকে নিয়ে আসে। পরে তাকে যমুনার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ৬ দিনব্যাপী আটক রেখে নূর নবী তার ১২/১৩ জন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
মঙ্গলবার রাতে জাহাঙ্গীর ও ইদ্রীস নামে দুইজন মোটরসাইকেল যোগে ঐ পোশাক শ্রমিককে বন্ধুর স্ত্রী পরিচয়ে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের জনৈক খোকার বাড়িতে রেখে যায়। পরে তিনি (পোশাক শ্রমিক) ঐ বাড়ির মালিক খোকার স্ত্রী হাওয়া বেগমকে গণধর্ষনের বিষয়টি জানান।
হাওয়া বেগম তাৎক্ষণিক ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যান মশিউ রহমান বাদলকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ বুধবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইসলামপুর থানার ওসি দ্বীন-ই-আলম জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

