শেরপুরে স্কুলছাত্র আরাফাত ইসলাম রাহাতকে (৭) অপহরণের সাত দিন পর শিয়ালে খাওয়া তার ছিন্ন-ভিন্ন মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (০৮ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের মধুটিলা ইকোপার্ক সংলগ্ন বাতকুচি গ্রামের মাজার পাহাড় থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ আগে সকাল ৭টায় অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আসলামকে গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এ উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।
রাহাত শেরপুর শহরের বিপ্লব-লোপা মেমোরিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং গৃর্দানারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা কাঠ ব্যবসায়ী মো. শহিদুল ইসলাম খোকনের ছেলে।
শিশু রাহাতের বাবা শহিদুল ইসলাম খোকন জানান, গত ২ আগস্ট মোবাইল ফোনে গেমস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার শ্যালিকার স্বামী আব্দুল লতিফ (২২) ও সহযোগীরা রাহাতকে অপহরণ করে। পরে মোবাইল ফোনে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। পরে শেরপুর সদর থানায় অপহরণ মামলা করেন তিনি।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়ারীশ জানান, রাহাতের বাবার কাছ থেকে মুক্তিপণের টাকা নিতে এলে ওৎ পেতে থাকা পুলিশ শিশুটির খালু আব্দুল লতিফসহ দুইজনকে আটক করে। কিন্তু শিশু রাহাতকে অনেক চেষ্টার পরও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরো জানান, অপহরণ করার পর ওইদিন বিকেলেই খুনি আসলাম ও তার সহযোগীরা রাহাতকে বাতকুচি গ্রামের মাজার পাহাড়ে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর মোবাইল ফোনের চার্জারের তার গলায় তার মৃতদেহ গহীণ অরণ্যে ফেলে আসে।
শনিবার (০৮ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের মধুটিলা ইকোপার্ক সংলগ্ন বাতকুচি গ্রামের মাজার পাহাড় থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ আগে সকাল ৭টায় অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আসলামকে গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এ উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।
রাহাত শেরপুর শহরের বিপ্লব-লোপা মেমোরিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং গৃর্দানারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা কাঠ ব্যবসায়ী মো. শহিদুল ইসলাম খোকনের ছেলে।
শিশু রাহাতের বাবা শহিদুল ইসলাম খোকন জানান, গত ২ আগস্ট মোবাইল ফোনে গেমস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার শ্যালিকার স্বামী আব্দুল লতিফ (২২) ও সহযোগীরা রাহাতকে অপহরণ করে। পরে মোবাইল ফোনে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। পরে শেরপুর সদর থানায় অপহরণ মামলা করেন তিনি।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়ারীশ জানান, রাহাতের বাবার কাছ থেকে মুক্তিপণের টাকা নিতে এলে ওৎ পেতে থাকা পুলিশ শিশুটির খালু আব্দুল লতিফসহ দুইজনকে আটক করে। কিন্তু শিশু রাহাতকে অনেক চেষ্টার পরও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরো জানান, অপহরণ করার পর ওইদিন বিকেলেই খুনি আসলাম ও তার সহযোগীরা রাহাতকে বাতকুচি গ্রামের মাজার পাহাড়ে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর মোবাইল ফোনের চার্জারের তার গলায় তার মৃতদেহ গহীণ অরণ্যে ফেলে আসে।
