রাজধানীর বনশ্রীতে অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিওর অফিস থেকে ১০ শিশু উদ্ধারের ঘটনায় একটি মামলা করেছে উদ্ধার হওয়া এক শিশুর স্বজন। উদ্ধার হওয়া শিশুদের শারীরিক নির্যাতনের আলামত পেয়েছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে বনশ্রীর ‘সি’ ব্লকের ১০ নম্বর রোডের সি/৭ নম্বর বাড়ির ৬ষ্ঠ তলায় অভিযান চালিয়ে এই শিশুদের উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসী অভিযোগ, গত ৬ মাস ধরে শিশুগুলোকে ওই বাসায় বন্দী করে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো- ভোলার বাবুল (১০), আব্বাস (১০), স্বপন (১১), নোয়াখালীর আকাশ (১০), রফিক (১৩), কুমিল্লার মোবারক হোসেন (১৩), পিরোজপুরের আবদুল্লাহ আল মামুন (১১), নারায়ণগঞ্জের ইব্রাহিম (১০), ময়মনসিংহের রাসেল (১৩) ও মৌলভীবাজারের ফরহাদ হোসেন (১০)।
এ সময় আরিফুর রহমান, হাসিবুল হাসান, ফিরোজ আলম ও জাকিয়া সুলতানা নামে চারজনকে আটকও করা হয়। পরে শিশু মোবারকের চাচা মনির হোসেন আটক চারজনকে আসামি করে রামপুরা থানায় মামলা করেন (নম্বর-১৩)।
পুলিশ বলছে, ওই শিশুদের পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আটকৃতরা দাবি করছেন, তারা ‘অদম্য বাংলাদেশ’ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) কর্মকর্তা-কর্মচারী। ওই শিশুগুলো পথশিশু, তাদের পুনর্বাসনের জন্য ওই বাসায় এনেছিলেন তারা।
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান তরফদার জানান, উদ্ধার হওয়া ১০ শিশুর মধ্যে একজন বেলা ১২টার দিকে ওই বাসা থেকে বের হয়ে চিৎকার করে বলে, আমাদের এখানে আটকে রেখেছে, আপনারা বাঁচান। পরে এলাকাবাসী থানায় সংবাদ দিলে চারজনকে আটক এবং ১০ শিশুকে উদ্ধার করা হয়। শিশুদের প্রথমে থানায় নেয়া হলেও পরে তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুদের সেখানে পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছিল। শিশুদের শারীরিকভাবে নির্যাতনও করা হয়েছে।
আটকদের দাবি, মুক্তিপণ বা পাচারের উদ্দেশ্যে শিশুদের ওই বাসায় রাখা হয়নি। তারা পথ ও হারিয়ে যাওয়া শিশুদের নিয়ে কাজ করে। এ কারণে শিশুদের ওই বাসায় রাখা হয়েছিল। তবে তারা এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
ওই বাড়ির এক বাসিন্দা জানান, এই শিশুরা গত ৬ মাস ধরে ওই বাসায় থাকতো। ওই বাসাটি প্রায়ই তালা দেয়া থাকতো।
পুলিশের খিলগাঁও জোনের এসি নুর আলম জানান, শিশুদের অপহরণ করা হয়েছে না কি পুনর্বাসনের জন্য আনা হয়েছে, সেটা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে সংস্থাটির কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে বনশ্রীর ‘সি’ ব্লকের ১০ নম্বর রোডের সি/৭ নম্বর বাড়ির ৬ষ্ঠ তলায় অভিযান চালিয়ে এই শিশুদের উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসী অভিযোগ, গত ৬ মাস ধরে শিশুগুলোকে ওই বাসায় বন্দী করে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো- ভোলার বাবুল (১০), আব্বাস (১০), স্বপন (১১), নোয়াখালীর আকাশ (১০), রফিক (১৩), কুমিল্লার মোবারক হোসেন (১৩), পিরোজপুরের আবদুল্লাহ আল মামুন (১১), নারায়ণগঞ্জের ইব্রাহিম (১০), ময়মনসিংহের রাসেল (১৩) ও মৌলভীবাজারের ফরহাদ হোসেন (১০)।
এ সময় আরিফুর রহমান, হাসিবুল হাসান, ফিরোজ আলম ও জাকিয়া সুলতানা নামে চারজনকে আটকও করা হয়। পরে শিশু মোবারকের চাচা মনির হোসেন আটক চারজনকে আসামি করে রামপুরা থানায় মামলা করেন (নম্বর-১৩)।
পুলিশ বলছে, ওই শিশুদের পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আটকৃতরা দাবি করছেন, তারা ‘অদম্য বাংলাদেশ’ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) কর্মকর্তা-কর্মচারী। ওই শিশুগুলো পথশিশু, তাদের পুনর্বাসনের জন্য ওই বাসায় এনেছিলেন তারা।
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান তরফদার জানান, উদ্ধার হওয়া ১০ শিশুর মধ্যে একজন বেলা ১২টার দিকে ওই বাসা থেকে বের হয়ে চিৎকার করে বলে, আমাদের এখানে আটকে রেখেছে, আপনারা বাঁচান। পরে এলাকাবাসী থানায় সংবাদ দিলে চারজনকে আটক এবং ১০ শিশুকে উদ্ধার করা হয়। শিশুদের প্রথমে থানায় নেয়া হলেও পরে তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুদের সেখানে পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছিল। শিশুদের শারীরিকভাবে নির্যাতনও করা হয়েছে।
আটকদের দাবি, মুক্তিপণ বা পাচারের উদ্দেশ্যে শিশুদের ওই বাসায় রাখা হয়নি। তারা পথ ও হারিয়ে যাওয়া শিশুদের নিয়ে কাজ করে। এ কারণে শিশুদের ওই বাসায় রাখা হয়েছিল। তবে তারা এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
ওই বাড়ির এক বাসিন্দা জানান, এই শিশুরা গত ৬ মাস ধরে ওই বাসায় থাকতো। ওই বাসাটি প্রায়ই তালা দেয়া থাকতো।
পুলিশের খিলগাঁও জোনের এসি নুর আলম জানান, শিশুদের অপহরণ করা হয়েছে না কি পুনর্বাসনের জন্য আনা হয়েছে, সেটা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে সংস্থাটির কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।
