কদিন পরেই বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া দল। কিন্তু দলে নেই অন্যতম সদস্য ডেভিড ওপেনার। আঙ্গুলের চোটেই থেমে গেছে এই সফর। তবে নিজেদের জন্য দুই টেস্টের সিরিজটি অনেক কঠিন হবে বলে মনে করছেন এই ওপেনার।
বাংলাদেশেই অভিষেক ঘটে নয়া এই সহ-অধিনায়কয়ের। কিন্তু বুড়ো আঙ্গুলের চোটটাই তাকে হতাশ করলো। তাই সিরিজটি টেলিভিশনের সামনে বসেই উপভোগ করতে হবে।
সিরিজটা সহজ হবে না বলে মানছেন ওয়ার্নার। প্রসংশা ঝরলো বাংলাদেশকে নিয়েও। বললেন, ‘বাংলাদেশের উন্নতিটা চোখে পড়ার মতো, বিশেষ করে নিজেদের মাঠে দুর্দান্ত একটা দল। আমার মনে হয় সফরটা খুব কঠিন হবে’
ভয় রয়েছে বাংলাদেশের অপরিচিত উইকেট নিয়েও। এ বিষয়ে ওয়ার্নার অবশ্য আশাবাদী। বললেন, ‘আমরা জানি না কী ধরনের উইকেট তৈরি হচ্ছে। তবে ভালো কিছুই আশা করছি, দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশ লড়াকু দল। ওরা হাল ছাড়ে না, ২০ উইকেট নেওয়ার ক্ষুধাটা সব সময় ধরে রাখে। আর ওদের কয়েকজনকে বড় ইনিংস খেলতে দেখেছি।’
এদিকে রজার্স ও ওয়ার্নারের অনুপস্থিতি ওপেনিং জুটির ভাবনায় কপালে ভাজ ফেলছে অস্ট্রেলিয়ার। তবে এ বিষয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ তিনি। বরং তিনি মনে করছেন, তাদের অনুপস্থিতি টের পাবে না দল।
ওয়ার্নার বলেন, ‘আমি এ নিয়ে মোটেও চিন্তিত নই। আমার বিশ্বাস, এতে করে সবাই দেখবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট গভীরতা কত বেশি। জায়গা নেওয়ার মতো অনেকেই তৈরি আছে অস্ট্রেলিয়ায়।’
আগের বাংলাদেশ ও বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। পরিবর্তন ঘটেছে অস্ট্রেলিয়া দলেও। জয়ের ধারাই ফিরেছে বাংলাদেশ, ক্রমে ক্রমে উন্নতি করছে সবখানে। অন্যদিকে, পারফরম্যান্সের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে গেলেও পিছিয়ে রয়েছে অভিজ্ঞতায়। বলা হচ্ছে, সত্তরের দশকের পর এত কম অভিজ্ঞতা নিয়ে টেস্ট দল গড়তে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে।
বাংলাদেশেই অভিষেক ঘটে নয়া এই সহ-অধিনায়কয়ের। কিন্তু বুড়ো আঙ্গুলের চোটটাই তাকে হতাশ করলো। তাই সিরিজটি টেলিভিশনের সামনে বসেই উপভোগ করতে হবে।
সিরিজটা সহজ হবে না বলে মানছেন ওয়ার্নার। প্রসংশা ঝরলো বাংলাদেশকে নিয়েও। বললেন, ‘বাংলাদেশের উন্নতিটা চোখে পড়ার মতো, বিশেষ করে নিজেদের মাঠে দুর্দান্ত একটা দল। আমার মনে হয় সফরটা খুব কঠিন হবে’
ভয় রয়েছে বাংলাদেশের অপরিচিত উইকেট নিয়েও। এ বিষয়ে ওয়ার্নার অবশ্য আশাবাদী। বললেন, ‘আমরা জানি না কী ধরনের উইকেট তৈরি হচ্ছে। তবে ভালো কিছুই আশা করছি, দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশ লড়াকু দল। ওরা হাল ছাড়ে না, ২০ উইকেট নেওয়ার ক্ষুধাটা সব সময় ধরে রাখে। আর ওদের কয়েকজনকে বড় ইনিংস খেলতে দেখেছি।’
এদিকে রজার্স ও ওয়ার্নারের অনুপস্থিতি ওপেনিং জুটির ভাবনায় কপালে ভাজ ফেলছে অস্ট্রেলিয়ার। তবে এ বিষয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ তিনি। বরং তিনি মনে করছেন, তাদের অনুপস্থিতি টের পাবে না দল।
ওয়ার্নার বলেন, ‘আমি এ নিয়ে মোটেও চিন্তিত নই। আমার বিশ্বাস, এতে করে সবাই দেখবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট গভীরতা কত বেশি। জায়গা নেওয়ার মতো অনেকেই তৈরি আছে অস্ট্রেলিয়ায়।’
আগের বাংলাদেশ ও বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। পরিবর্তন ঘটেছে অস্ট্রেলিয়া দলেও। জয়ের ধারাই ফিরেছে বাংলাদেশ, ক্রমে ক্রমে উন্নতি করছে সবখানে। অন্যদিকে, পারফরম্যান্সের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে গেলেও পিছিয়ে রয়েছে অভিজ্ঞতায়। বলা হচ্ছে, সত্তরের দশকের পর এত কম অভিজ্ঞতা নিয়ে টেস্ট দল গড়তে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে।
