নিজস্ব প্রতিবেদক বকশীগঞ্জ ঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি অপরিবর্তিত থাকার ফলে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
এতে করে ফের নদীর তীরবর্তী তিনটি ও অন্যান্য ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের পালিত প্রাণি সম্পদ নিয়ে পড়েছে বিপাকে। মানুষের বিশুদ্ধ পানির সংকটের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়া এসব এলাকায় রোপা আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ কাজের অভাবে বিপাকে পড়েছেন।
দ্বিতীয় দফা বন্যায় এখন পর্যন্ত ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। রোববার মেরুরচর ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকায় ২ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে পাহাড়ি ঢলে কামালপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস'দের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ করা হয়েছে। চাল বিতরণ করেন বকশীগঞ্জ ইউএনও নার্গিস পারভীন। এসময় কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল উপসি'ত ছিলেন।
এছাড়াও সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান লেবু, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বজলুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবুর নেতৃত্বে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা পিআইও মিজানুর রহমান জানান, ফের ১০ টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে বিভাজন করে দেয়া হয়েছে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি অপরিবর্তিত থাকার ফলে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
এতে করে ফের নদীর তীরবর্তী তিনটি ও অন্যান্য ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের পালিত প্রাণি সম্পদ নিয়ে পড়েছে বিপাকে। মানুষের বিশুদ্ধ পানির সংকটের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়া এসব এলাকায় রোপা আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ কাজের অভাবে বিপাকে পড়েছেন।
দ্বিতীয় দফা বন্যায় এখন পর্যন্ত ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। রোববার মেরুরচর ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকায় ২ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে পাহাড়ি ঢলে কামালপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস'দের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ করা হয়েছে। চাল বিতরণ করেন বকশীগঞ্জ ইউএনও নার্গিস পারভীন। এসময় কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল উপসি'ত ছিলেন।
এছাড়াও সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান লেবু, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বজলুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবুর নেতৃত্বে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা পিআইও মিজানুর রহমান জানান, ফের ১০ টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে বিভাজন করে দেয়া হয়েছে।

