টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পুকুর থেকে চুরি করে মাছ ধরা দেখে ফেলায় রাসেল (১১) নামে এক শিশুকে ব্লেড দিয়ে কেটে ক্ষত-বিক্ষত করেছে এক নেশাখোর। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের হাটুভাঙ্গা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রাসেল রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার মৌভাষা গ্রামের লাভলু মিয়া ছেলে। সে তার বাবার সঙ্গে গোড়াই হাটুভাঙা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে।
পুলিশ জানান, সকাল ১০টার দিকে ওই এলাকার নেশাখোর এক যুবক আব্দুল কাদেরের পুকুরে বড়শি দিয়ে চুরি করে মাছ ধরতে থাকে। এ সময় রাসেল দেখে ফেললে ওই নেশাখোর যুবক রাসেলকে টেনে হেছড়ে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে রাসেলের শরীর কেটে তাকে আহত করে। পরে রাসেলকে মারধর করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এলাকাবাসী রাসেলকে অচেতন অবস্থায় জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক নিনাদ জানান, শিশু রাসেলের শরীরে বিভিন্ন অংশে ব্লেডের আঘাত ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া রাসেলের বুকে ইসিজি ও এক্সরে করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে বলে তিনি জানান।
শিশু রাসেলের বাবা লাভলু মিয়া জানান, আমি ওই পুকুরে কাজ করি। ওই যুবক চুরি করে পুকুর থেকে মাছ ধরতে থাকে। মাছ চুরি দেখে ফেলায় চিহ্নিত নেশাখোর ওই যুবক রাসেলকে নির্মমভাবে ব্লেড দিয়ে কেটে ও মারধর করে অচেতন অবস্থায় ফেলে যায়। তবে তার নাম জানাতে পারেননি তিনি।
মির্জাপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, শিশু রাসেলের ওপর নির্যাতনকারীকে সনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের হাটুভাঙ্গা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রাসেল রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার মৌভাষা গ্রামের লাভলু মিয়া ছেলে। সে তার বাবার সঙ্গে গোড়াই হাটুভাঙা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে।
পুলিশ জানান, সকাল ১০টার দিকে ওই এলাকার নেশাখোর এক যুবক আব্দুল কাদেরের পুকুরে বড়শি দিয়ে চুরি করে মাছ ধরতে থাকে। এ সময় রাসেল দেখে ফেললে ওই নেশাখোর যুবক রাসেলকে টেনে হেছড়ে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে রাসেলের শরীর কেটে তাকে আহত করে। পরে রাসেলকে মারধর করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এলাকাবাসী রাসেলকে অচেতন অবস্থায় জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক নিনাদ জানান, শিশু রাসেলের শরীরে বিভিন্ন অংশে ব্লেডের আঘাত ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া রাসেলের বুকে ইসিজি ও এক্সরে করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে বলে তিনি জানান।
শিশু রাসেলের বাবা লাভলু মিয়া জানান, আমি ওই পুকুরে কাজ করি। ওই যুবক চুরি করে পুকুর থেকে মাছ ধরতে থাকে। মাছ চুরি দেখে ফেলায় চিহ্নিত নেশাখোর ওই যুবক রাসেলকে নির্মমভাবে ব্লেড দিয়ে কেটে ও মারধর করে অচেতন অবস্থায় ফেলে যায়। তবে তার নাম জানাতে পারেননি তিনি।
মির্জাপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, শিশু রাসেলের ওপর নির্যাতনকারীকে সনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।
