নির্যাতনের শিকার হয়ে মিজানুর রহমান নামে এক শিশু স্কুল ছাত্র নরসিংদী জেলা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। মানুষ নামের পশুরা তাকে মারধর করে বুকের হাড় ভেঙ্গে দিয়েছে। পিটিয়ে সারা শরীর তুলাধুনা করে দিয়েছে। আহত পুত্রের পাশে বসে চোখের পানিতে বুক ভাসাচ্ছেন মা রিনা বেগম। গত ৪ সেপ্টেম্বর শিবপুর উপজেলার সৈয়দনগর দড়িগাঁও গ্রামে এই বর্বর কাণ্ডটি ঘটেছে।
শিবপুর উপজেলার দড়িগাঁও গ্রামের পাওয়ারলুম মিস্ত্রি বাচ্চু মিয়ার পুত্র মিজানুর রহমান সৈয়দনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে লেখাপড়া করে। গত ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে মাঠে খেলাধুলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী আব্দুল গফুরের ছেলের সাথে মিজানের ঝগড়া হয়। এই ঘটনার পর আব্দুল গফুর ও তার পুত্রেরা স্কুল ছাত্র মিজানকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে ৪ ঘন্টা আটক রেখে হাত-পা বেঁধে বাঁশের লাঠি দিয়ে গরুপেটা করে। ৪ ঘন্টা অমানবিক নির্যাতনে মিজানের বুকের হাড় ভেঙ্গে যায় এবং দেয়াল থেতলে যায়। মিজান জ্ঞান হারিয়ে ফেললে আব্দুল গফুর ও তার পুত্ররা তাকে বন্দি রেখেই মিজানদের বাড়িতে যায়। মিজানের মা ও বাবাকে এই মর্মে শাসিয়ে আসে যে, ‘তোর পুত্রকে পিটিয়ে বেঁধে রেখে এসেছি। তাকে নিয়ে তোরা এই গ্রাম ছেড়ে চলে যাবি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আব্দুল গফুর ও তার পুত্রদের কেউ ধরা পড়েনি।

