মুফতী জাকির হোসাইন আশরাফ:
মুসলিম জাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হল কোরবানী।
যাহা শা'আয়েরে ইসলাম তথা ইসলামের প্রতিকী বিধানাবলীর একটি।
হযরত ইবরাহীম আঃ এর সুন্নত হিসেবে মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্যও এই
বিধান আরোপিত করেছেন।
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি নিজেও প্রতি বছর কোরবানি করতেন।
শেষ জীবনে তিনি ১০০ উট কোরবানি দিয়েছেন।
এই ইবাদতের মধ্যে রয়েছে আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূলের প্রতি নিঃশর্ত
আনুগত্যের শিক্ষা।
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,"অতএব আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং
কোরবানি করুন"
(সূরা কাউসারঃ ২)
সর্বোপরি কুরবানির মাকসাদ হল স্বীয় প্রতিপালকের জন্য নিজেকে উতসর্গ করা।
হাদীসে কোরবানির ফজিলতঃ
-----------------------
হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম রাঃ থেকে বর্নিত,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সাঃ এর নিকট আরজ করলেন,
হে আল্লাহর রাসূল ! কোরবানি কী জিনিস?
জবাবে রাসূল সাঃ বললেন,তোমাদের আদি পিতা হযরত ইবরাহীম আঃ এর সুন্নাত।
সাহাবাগণ আরজ করলেন,তাতে আমাদের লাভ কি?
রাসূল সাঃ বললেন,কোরবানির প্রতিটি পশুর প্রতিটি লোমের বিনিময় একটি সাওয়াব
দেওয়া হবে।
সাহাবাগণ আরজ করলেন,ভেড়ার প্রতিটি লোমের বিনিময়েও সাওয়াব দেওয়া হবে?
রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন হ্যাঁ ভেড়ার প্রতিটি লোমের বিনিময়েও সাওয়াব প্রদান করা হবে।
(মুসতাদরাকে হাকেম-২/৩৮৯)
হযরত আয়েশা রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন,কোরবানির দিন সমূহে
আল্লাহর নিকট কোরবানি করার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন আমল নেই।
কোরবানির পশু কিয়ামতের দিন তার শিং লোম খুর সহ আল্লাহ তা'আলার দরবারে
উপস্থিত হবে। আর কোরবানি পশু জবাইয়ের পর রক্ত জমিনে গড়ানোর পূর্বেই
আল্লাহ তাআলার দরবারে কবুল হয়ে যায়।
সুতারাং তোমরা এতে আনন্দিত হও।
(তিরমিযী-হাঃ ১৪৯৩)
একজন মুমীন তার রবের নিকটে প্রিয় হওয়ার মাধ্যম হল এই কোরবানি।
কারন মুমীনের জীবনের প্রতিটি মূহর্তই আল্লাহর জন্য উতসর্গিত।
মহান আল্লাহর ইরশাদ,
হে রাসূল! আপনি বলুন,আমার নামায আমার কোরবানি আমার জীবন আমার মরন একমাত্র
আল্লাহ রাব্বুল্ল আলামীনের জন্য উতসর্গিত।(সূরা আনআমঃ১৬২)
তাই আসুন আমরা কুরবানি করে মহান আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করতে সচেষ্ট হই।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের কুরবানি কে কবুল করুন।
আমীন।
বিঃ দ্রঃ(এরপর আলোচনা হবে কোরবানির মাসায়েল সমূহ)
মুফতী জাকির হোসাইন আশরাফ
ইমাম ও খতীব,বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ
পশ্চিম বাজার,বকশীগঞ্জ
মুসলিম জাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হল কোরবানী।
যাহা শা'আয়েরে ইসলাম তথা ইসলামের প্রতিকী বিধানাবলীর একটি।
হযরত ইবরাহীম আঃ এর সুন্নত হিসেবে মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্যও এই
বিধান আরোপিত করেছেন।
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি নিজেও প্রতি বছর কোরবানি করতেন।
শেষ জীবনে তিনি ১০০ উট কোরবানি দিয়েছেন।
এই ইবাদতের মধ্যে রয়েছে আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূলের প্রতি নিঃশর্ত
আনুগত্যের শিক্ষা।
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,"অতএব আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং
কোরবানি করুন"
(সূরা কাউসারঃ ২)
সর্বোপরি কুরবানির মাকসাদ হল স্বীয় প্রতিপালকের জন্য নিজেকে উতসর্গ করা।
হাদীসে কোরবানির ফজিলতঃ
-----------------------
হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম রাঃ থেকে বর্নিত,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সাঃ এর নিকট আরজ করলেন,
হে আল্লাহর রাসূল ! কোরবানি কী জিনিস?
জবাবে রাসূল সাঃ বললেন,তোমাদের আদি পিতা হযরত ইবরাহীম আঃ এর সুন্নাত।
সাহাবাগণ আরজ করলেন,তাতে আমাদের লাভ কি?
রাসূল সাঃ বললেন,কোরবানির প্রতিটি পশুর প্রতিটি লোমের বিনিময় একটি সাওয়াব
দেওয়া হবে।
সাহাবাগণ আরজ করলেন,ভেড়ার প্রতিটি লোমের বিনিময়েও সাওয়াব দেওয়া হবে?
রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন হ্যাঁ ভেড়ার প্রতিটি লোমের বিনিময়েও সাওয়াব প্রদান করা হবে।
(মুসতাদরাকে হাকেম-২/৩৮৯)
হযরত আয়েশা রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন,কোরবানির দিন সমূহে
আল্লাহর নিকট কোরবানি করার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন আমল নেই।
কোরবানির পশু কিয়ামতের দিন তার শিং লোম খুর সহ আল্লাহ তা'আলার দরবারে
উপস্থিত হবে। আর কোরবানি পশু জবাইয়ের পর রক্ত জমিনে গড়ানোর পূর্বেই
আল্লাহ তাআলার দরবারে কবুল হয়ে যায়।
সুতারাং তোমরা এতে আনন্দিত হও।
(তিরমিযী-হাঃ ১৪৯৩)
একজন মুমীন তার রবের নিকটে প্রিয় হওয়ার মাধ্যম হল এই কোরবানি।
কারন মুমীনের জীবনের প্রতিটি মূহর্তই আল্লাহর জন্য উতসর্গিত।
মহান আল্লাহর ইরশাদ,
হে রাসূল! আপনি বলুন,আমার নামায আমার কোরবানি আমার জীবন আমার মরন একমাত্র
আল্লাহ রাব্বুল্ল আলামীনের জন্য উতসর্গিত।(সূরা আনআমঃ১৬২)
তাই আসুন আমরা কুরবানি করে মহান আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করতে সচেষ্ট হই।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের কুরবানি কে কবুল করুন।
আমীন।
বিঃ দ্রঃ(এরপর আলোচনা হবে কোরবানির মাসায়েল সমূহ)
মুফতী জাকির হোসাইন আশরাফ
ইমাম ও খতীব,বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ
পশ্চিম বাজার,বকশীগঞ্জ
