কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হয়ে পড়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার শতাধিক গ্রাম, চর ও দ্বীপচর। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার পরিবারের প্রায় ৫ লাখ মানুষ।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চরযাত্রাপুরের বাসিন্দা ছকিনা বেগম জানান, টানা ১৫ দিন ধরে পানিতে আছি। খাবার নাই, কাজ নাই। নদীতে মাছও পাওয়া যায় না। ছোওয়া-পোয়া নিয়া খুব কষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। কোন মেম্বার চেয়ারম্যান এ পর্যন্ত খোঁজ নেয় নাই।
একই চরের বাসিন্দা আবেদ আলী জানান, বর্তমানে চরত কোন কাম নাই বাহে। নিজে খাই কি, গরু ছাগলক খাওয়াই কি। আবাদপাতি তো শেষ হয়া গেছে। বাঁচার কোন উপায় নাই বাহে। সরকার এগুলো দেখে না।
এলাকাবাসী জানায়, বন্যার পানিতে বসতবাড়ি ও রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ার কারণে দুর্ভোগে পড়েছি। হাতে কাজ না থাকায় এবং ত্রাণসহায়তা না পাওয়ায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। চারণ ভূমি তলিয়ে থাকায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় একমাত্র যোগাযোগের ভরসা নৌকা ও কলা গাছের ভেলা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে জীবন যাপন করছে। জেলা প্রশাসন থেকে নতুন করে সাড়ে ৪ টন টিআর চাল বরাদ্দ পেয়েছি। যা দু-একদিনের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
জেলা প্রশাসন থেকে বন্যা কবলিতদের জন্য ২৫০ মেট্রিক টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় সব বানভাসীর ভাগ্যে তা জোটেনি।
জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন জানান, নতুন করে প্লাবিত হওয়ায় ১০ লাখ টাকা ও ৫শ’ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৯ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চরযাত্রাপুরের বাসিন্দা ছকিনা বেগম জানান, টানা ১৫ দিন ধরে পানিতে আছি। খাবার নাই, কাজ নাই। নদীতে মাছও পাওয়া যায় না। ছোওয়া-পোয়া নিয়া খুব কষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। কোন মেম্বার চেয়ারম্যান এ পর্যন্ত খোঁজ নেয় নাই।
একই চরের বাসিন্দা আবেদ আলী জানান, বর্তমানে চরত কোন কাম নাই বাহে। নিজে খাই কি, গরু ছাগলক খাওয়াই কি। আবাদপাতি তো শেষ হয়া গেছে। বাঁচার কোন উপায় নাই বাহে। সরকার এগুলো দেখে না।
এলাকাবাসী জানায়, বন্যার পানিতে বসতবাড়ি ও রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ার কারণে দুর্ভোগে পড়েছি। হাতে কাজ না থাকায় এবং ত্রাণসহায়তা না পাওয়ায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। চারণ ভূমি তলিয়ে থাকায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় একমাত্র যোগাযোগের ভরসা নৌকা ও কলা গাছের ভেলা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে জীবন যাপন করছে। জেলা প্রশাসন থেকে নতুন করে সাড়ে ৪ টন টিআর চাল বরাদ্দ পেয়েছি। যা দু-একদিনের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
জেলা প্রশাসন থেকে বন্যা কবলিতদের জন্য ২৫০ মেট্রিক টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় সব বানভাসীর ভাগ্যে তা জোটেনি।
জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন জানান, নতুন করে প্লাবিত হওয়ায় ১০ লাখ টাকা ও ৫শ’ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৯ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
