রমেশ সরকার, শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরের শ্রীবরদী
উপজেলার
সরকারি
প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের
প্রাক-প্রাথমিক
শ্রেণী
গুলোতে
শিখন
শেখানো
উপকরণ
বিতরণে
ব্যাপক
অনিয়ম
ও
দুর্নীতির
অভিযোগ
ওঠেছে।
এ
অভিযোগ
শিক্ষা
অফিসের
ঝুলে
থাকা
এক
শ্রেণীর
দালাল
শিক্ষকদের
বিরুদ্ধে।
এতে
হাতে
কলমে
শিক্ষা
থেকে
বঞ্চিত
হচ্ছে
কোমলমতি
শিশুরা।
জানা যায়, চলতি শিক্ষা বর্ষে সারা দেশের ন্যায় শ্রীবরদীতে
১শ
৭২টি
সরকারি
প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের
প্রাক-প্রাথমিক
শ্রেণীর
জন্যে
বরাদ্দ
হয়
প্রতি
বিদ্যালয়ের
বিপরীতে
৫
হাজার
করে
টাকা।
এ
টাকার
মধ্যে
ক্রয়
করার
কথা
১২টি
মাদুরসহ
২১
ধরনের
উপকরণ।
এসব
উপকরণ
ক্রয়ে
শিক্ষা
অফিসের
এক
শ্রেণীর
ঝুলে
থাকা
দালাল
শিক্ষক
সেন্ডিকেট
তৈরি
করে
নাম
মাত্র
উপকরণ
বিতরণ
করে
সিংহভাগ
অর্থই
আত্মসাত
করেছে।
কয়েকটি
বিদ্যালয়ে
সরেজমিন
গেলে
কথা
হয়
প্রধান
শিক্ষকদের
সাথে।
তারা
জানান,
মেসার্স
ফারুক
ষ্টোর
নামে
একটি
বিল
ভাউচার
দেয়া
হয়েছে।
এতে
উল্লেখ
রয়েছে
মাদুর
১০টি।
যার
মূল্য
ধরা
হয়েছে
২হাজার
টাকা।
অথচ
ওই
বিদ্যালয়গুলোতে
মাদুর
দেয়া
হয়েছে
মাত্র
৫থেকে
৭টি।
এসব
মাদুরের
প্রত্যেকটির
বাজার
মূল্য
সর্বোচ্চ
৮০
থেকে
১শ
৩০
টকা।
এছাড়াও
অন্যান্য
উপকরণগুলো
রয়েছে
একেবারেই
নিু
মুল্যের।
যার
অনেকটার
মূল্য
হবে
২টাকা।
অনেকে
দেখে
বলেছেন
এসব
হরেক
মাল।
যার
বৈশিষ্ট্য
হলো
ওই
দোকানের
যে
কোনো
পন্যের
মূল্য
২
টাকা।
তবে
এ
বিল
ভাউচার
কোন
বিদ্যালয়ের
বা
প্রধান
শিক্ষকের
তা
উল্লেখ
নেই।
এমনকি
ভাউচারে
নিচে
কোনো
স্বাক্ষর
নেই।
এভাবে
এসব
শিক্ষকরা
যোগসাজস
করে
উপকরণ
ক্রয়ে
বিপুল
পরিমানের
অর্থ
হাতিয়ে
নিয়েছে
বলে
অভিযোগ
তুলে
অনেক
শিক্ষক
বলেন,
আমরা
কিছুই
জানিনা।
শুধু
একজন
লোক
এসে
এসব
দিয়েছেন।
একটি
সূত্র
জানান,
প্রত্যেক
শিক্ষককে
১
হাজার
করে
টাকা
নগদ
নারায়ন
দিয়ে
স্বাক্ষর
নিয়েছেন।
তবে
দালাল
শ্রেণীর
ওইসব
শিক্ষক
এ
ব্যাপারে
মন-ব্য করতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে
উপজেলা
শিক্ষা
কর্মকর্তা
অরুনা
রায়
বলেন,
কোনো
বিদ্যালয়ে
অভিযোগ
পেলে
অবশ্যই
তদন-
করে
প্রয়োজনীয়
ব্যবস'া নেয়া হবে। সচেতন মহলের প্রশ্ন, এ বিষয়টি আদো তদন- হবে কি?