ডাঃ জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ
ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিসি'তির উন্নতি হচ্ছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বসতভিটা থেকে পানি ধীরগতিতে নামায় দুর্ভোগ কমেনি প্রায় ৫ লাখ বানভাসীর। গবাদি পশু নিয়ে বাধে ও উচু স'ানে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। ছড়িয়ে পড়ছে পানি বাহিত রোগ।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের চরবাগুয়ার মজিদ জানান, ১০-১২ দিন ধরে পানির উপর ভাসতেছি। কোন সাহায্য পাই নাই। ধার-দেনা করে চলতেছি। একবেলা রান্না করে তিন বেলা খেয়ে কষ্ঠে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন পার করছি। পানি এখনও বাড়ী থেকে নামে নাই।
সাহেবের আলগা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় ১২ হাজার মানুষের মধ্যে ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আগে ৪ মেট্রিক টন ও আজ বুধবার ৪ মেট্রিক টন মিলে এ পর্যন্ত ৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। আগে যাদের দেয়া হয় নাই। তাদের এখন চাল দেয়া হবে। পানি নামতে শুরু করেছে। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে ঘর-বাড়ী থেকে পানি নেমে যাবে।
কোথাও কোথাও সামান্য ত্রান তৎপরতা শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
জেলা প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন জানান, নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিসি'তির উন্নতি হচ্ছে। বন্যা কবলিত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত সরকারী ভাবে ৩০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ ৫ হাজার টাকা বিতরন করা হয়েছে। আরো ৫০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে বিতরন করা হবে।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রুহুল আমিন জানান, বন্যা কবলিত মানুষের জন্য আরো প্রচুর ত্রান সহয়তা দরকার হবে। এজন্য আমি দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের মাননিয় মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সাথে কথা বলেছি। বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য যত ত্রান সহায়তার প্রয়োজন হবে তিনি তা দিতে আমাকে আশ্বস' করেছেন। এছাড়া বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস' রাস্তা-ঘাট ও কৃষি পুর্নবাসসনের জন্য আমি জাতীয় সংসদে কথা বলবো।
স'ানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের ৩০ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিসি'তির উন্নতি হচ্ছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বসতভিটা থেকে পানি ধীরগতিতে নামায় দুর্ভোগ কমেনি প্রায় ৫ লাখ বানভাসীর। গবাদি পশু নিয়ে বাধে ও উচু স'ানে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। ছড়িয়ে পড়ছে পানি বাহিত রোগ।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের চরবাগুয়ার মজিদ জানান, ১০-১২ দিন ধরে পানির উপর ভাসতেছি। কোন সাহায্য পাই নাই। ধার-দেনা করে চলতেছি। একবেলা রান্না করে তিন বেলা খেয়ে কষ্ঠে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন পার করছি। পানি এখনও বাড়ী থেকে নামে নাই।
সাহেবের আলগা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় ১২ হাজার মানুষের মধ্যে ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আগে ৪ মেট্রিক টন ও আজ বুধবার ৪ মেট্রিক টন মিলে এ পর্যন্ত ৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। আগে যাদের দেয়া হয় নাই। তাদের এখন চাল দেয়া হবে। পানি নামতে শুরু করেছে। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে ঘর-বাড়ী থেকে পানি নেমে যাবে।
কোথাও কোথাও সামান্য ত্রান তৎপরতা শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
জেলা প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন জানান, নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিসি'তির উন্নতি হচ্ছে। বন্যা কবলিত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত সরকারী ভাবে ৩০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ ৫ হাজার টাকা বিতরন করা হয়েছে। আরো ৫০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে বিতরন করা হবে।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রুহুল আমিন জানান, বন্যা কবলিত মানুষের জন্য আরো প্রচুর ত্রান সহয়তা দরকার হবে। এজন্য আমি দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের মাননিয় মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সাথে কথা বলেছি। বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য যত ত্রান সহায়তার প্রয়োজন হবে তিনি তা দিতে আমাকে আশ্বস' করেছেন। এছাড়া বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস' রাস্তা-ঘাট ও কৃষি পুর্নবাসসনের জন্য আমি জাতীয় সংসদে কথা বলবো।
স'ানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের ৩০ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
