নেপাল-ভারত সীমান্তে সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে। নেপালের সীমান্তে অপেক্ষা করছে ৪ হাজার ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক। এগুলো নিরাপত্তার কারণে নেপালে ঢুকতে পারছে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ বলেন, ‘আমরা সীমান্ত পর্যন্ত পণ্য পৌঁছাতে পারি কিন্তু তা নেপালে ঢোকানোর দায়িত্ব সে দেশের সরকারের। সীমান্তের ভারতীয় অংশে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে পণ্যবাহী ট্রাকের। খবর এনডিটিভির।
নেপালের ইউএমএল দলের নেতা কেপি ওলি বলেন, ‘আমরা ভারতের কাছ থেকে জ্বালানি তেল, রান্নার গ্যাস, শাক-সবজি কিছুই পাচ্ছি না—আমাদের এ রকম বন্ধু প্রয়োজন নেই। সীমান্তে বন্ধ-এর সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে ভারত। তাদের দাবি দক্ষিণ তারাইয়ে বিক্ষোভের কারণে ভারতীয় পণ্য নেপালে প্রবেশ করতে পারছে না। তারাইবাসী বলছে—নতুন সংবিধানের কারণে তাদের প্রদেশগুলো বিভক্ত হয়ে যাবে। ভারতের সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় চীন থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করা যায় কিনা সে ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করেছে নেপাল সরকার। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা প্রকাশ অধিকারি বলেন, চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে জ্বালানি আমদানি করা খুবই কঠিন হবে।
নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে বিক্ষোভকারীরা এখনো সীমান্ত দিয়ে পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করছে। যদিও সুনাওলি ভাইরাসাওয়া সীমান্ত দিয়ে অধিকাংশ ভারতীয় ট্রাক ঢুকতে পেরেছে।
তেরাই অঞ্চলের অধিবাসীরা যাদের বেশির ভাগই ভারতীয় বংশোদ্ভূত, নেপালকে সাতটি প্রদেশে ভাগ করার তীব্র বিরোধিতা করছে। সেখানে গত এক মাসে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছে।

