ফরিদ আহম্মেদ রুবেল, শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি ঃ
শ্রীবরদীতে জমি সংক্রান্ত্র বিরুধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে । গত ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার লংগরপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, মো. ঠান্ডা মিয়াদের সঙ্গে পাশ্বের বাড়ির মো. হিম্মত আলীদের সাথে জমা-জমি নিয়া বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনাটি এলাকার লোকজন আপোষ মিমাংসার জন্য ওই দিনই বৈঠকে বসে। বৈঠকের পর এক পর্যায়ে মো. ঠান্ডা মিয়া ও তার লোকজন হিম্মত আলীর রোপনকৃত কাঠের চারা গাছ টানিয়া তুলতে থাকে। এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে হাতাহাতি ও মারামারি হয়। সরেজমিনে হিম্মত আলীর ছনের ঘরে আগুনের চিহ্নও দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী জনৈক ব্যক্তি বলেন, মারামারির ফাঁকে কে কখন আগুন দিয়েছে তা কেউ বলতে পারে না। বর্তমানে উভয় পক্ষের চার জন আহত অবস্থায় শ্রীবরদী সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে এদের মধ্যে মোঃ হিম্মত আলী ও মোছাঃ মোর্শেদা বেগম গুরুত্ব আহত। এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
শ্রীবরদীতে জমি সংক্রান্ত্র বিরুধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে । গত ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার লংগরপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, মো. ঠান্ডা মিয়াদের সঙ্গে পাশ্বের বাড়ির মো. হিম্মত আলীদের সাথে জমা-জমি নিয়া বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনাটি এলাকার লোকজন আপোষ মিমাংসার জন্য ওই দিনই বৈঠকে বসে। বৈঠকের পর এক পর্যায়ে মো. ঠান্ডা মিয়া ও তার লোকজন হিম্মত আলীর রোপনকৃত কাঠের চারা গাছ টানিয়া তুলতে থাকে। এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে হাতাহাতি ও মারামারি হয়। সরেজমিনে হিম্মত আলীর ছনের ঘরে আগুনের চিহ্নও দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী জনৈক ব্যক্তি বলেন, মারামারির ফাঁকে কে কখন আগুন দিয়েছে তা কেউ বলতে পারে না। বর্তমানে উভয় পক্ষের চার জন আহত অবস্থায় শ্রীবরদী সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে এদের মধ্যে মোঃ হিম্মত আলী ও মোছাঃ মোর্শেদা বেগম গুরুত্ব আহত। এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
