মতিন রহমান ॥
বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা বাজারে চলছে ভূয়া প্যাথলজির রমরমা বানিজ্য। চরাঞ্চলের মানুষের সহজ সরলতার সুযোগে অভিজ্ঞ প্যাথলজিষ্টের সাইনবোর্ড টানিয়ে সহজ সরল মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে মাহমুদুল হাসান নামে এক ভূয়া প্যাথলজিষ্ট। কোন ধরনের অভিজ্ঞতার সনদ না থাকলেও নিজেকে তিনি অভিজ্ঞ প্যাথলজিষ্ট্র হিসেবে দাবি করেন। এলাকার নামধারী কিছু পল্লীচিকিৎসক ও হাতুরে ডাক্তারদের যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবত তিনি সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছেন । তাই দীর্ঘদিন পরে হলেও ভূয়া চিকিৎসা সেবা দেয়ার কারনে এলাকাবাসী ভূয়া প্যাথলজিষ্ট মাহমুদুল হাসানের হাসান প্যাথলজিক্যাল ল্যাব এর নাম দিয়েছেন কসাই খানা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,বড় চেয়ার পেতে বসে আছেন ভূয়া প্যাথলজিষ্ট মাহমুদুল হাসান। পাশেই অনেক নিরীহ রোগীর উপচেপড়া ভিড়। চারপাশে অস্বাস'্যকর পরিবেশ পাশেই অকেজো বিকল পুরোনো কিছু যন্ত্রপাতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দেখে চেনার উপায় নেই এটি একটি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব। সেখানে কোন পরীক্ষার প্রয়োজন হয়না। নিজের ইচ্ছামত রিপোর্ট দেন তিনি।
পরীক্ষা না করেই কিভাবে রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে এব্যাপারে ভূয়া প্যাথলজিষ্ট মাহমুদুল হাসানকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন যে সব পল্লী চিকিৎসক রোগী পাঠান তারাই বলে দেন কি রিপোর্ট দিতে হবে। তাই আর পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়না। চিকিৎসকদের নাম জানতে চাইলে তিনি তা অপারগতা প্রকাশ করেন।
একাধিক রোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়,তারা ওই ল্যাবে একাধিক বার পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন কিন' কোন লাভ হয়নি। অনেক রোগী অভিযোগ করে বলেন এলাকার কিছু বখাটে মাদকসেবীদের সাথে ভূয়া প্যাথলজিষ্ট্র মাহমুদুল হাসানের রয়েছে গভীর সখ্যতা যে কারনে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না। তার এহেন কর্মকান্ডে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে জনস্বাস'্য পড়ছে হুমকির মুখে। এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতারনা হাত থেকে বাচাঁতে এই ভূয়া প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়ার জোড় দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন জনগন।
বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা বাজারে চলছে ভূয়া প্যাথলজির রমরমা বানিজ্য। চরাঞ্চলের মানুষের সহজ সরলতার সুযোগে অভিজ্ঞ প্যাথলজিষ্টের সাইনবোর্ড টানিয়ে সহজ সরল মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে মাহমুদুল হাসান নামে এক ভূয়া প্যাথলজিষ্ট। কোন ধরনের অভিজ্ঞতার সনদ না থাকলেও নিজেকে তিনি অভিজ্ঞ প্যাথলজিষ্ট্র হিসেবে দাবি করেন। এলাকার নামধারী কিছু পল্লীচিকিৎসক ও হাতুরে ডাক্তারদের যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবত তিনি সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছেন । তাই দীর্ঘদিন পরে হলেও ভূয়া চিকিৎসা সেবা দেয়ার কারনে এলাকাবাসী ভূয়া প্যাথলজিষ্ট মাহমুদুল হাসানের হাসান প্যাথলজিক্যাল ল্যাব এর নাম দিয়েছেন কসাই খানা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,বড় চেয়ার পেতে বসে আছেন ভূয়া প্যাথলজিষ্ট মাহমুদুল হাসান। পাশেই অনেক নিরীহ রোগীর উপচেপড়া ভিড়। চারপাশে অস্বাস'্যকর পরিবেশ পাশেই অকেজো বিকল পুরোনো কিছু যন্ত্রপাতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দেখে চেনার উপায় নেই এটি একটি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব। সেখানে কোন পরীক্ষার প্রয়োজন হয়না। নিজের ইচ্ছামত রিপোর্ট দেন তিনি।
পরীক্ষা না করেই কিভাবে রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে এব্যাপারে ভূয়া প্যাথলজিষ্ট মাহমুদুল হাসানকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন যে সব পল্লী চিকিৎসক রোগী পাঠান তারাই বলে দেন কি রিপোর্ট দিতে হবে। তাই আর পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়না। চিকিৎসকদের নাম জানতে চাইলে তিনি তা অপারগতা প্রকাশ করেন।
একাধিক রোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়,তারা ওই ল্যাবে একাধিক বার পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন কিন' কোন লাভ হয়নি। অনেক রোগী অভিযোগ করে বলেন এলাকার কিছু বখাটে মাদকসেবীদের সাথে ভূয়া প্যাথলজিষ্ট্র মাহমুদুল হাসানের রয়েছে গভীর সখ্যতা যে কারনে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না। তার এহেন কর্মকান্ডে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে জনস্বাস'্য পড়ছে হুমকির মুখে। এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতারনা হাত থেকে বাচাঁতে এই ভূয়া প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়ার জোড় দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন জনগন।
