বিশ্বের প্রথম ড্রোন বন্দর তৈরি হচ্ছে রুয়ান্ডায়। আফ্রিকান এই দেশটির প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় দ্রুততম সময়ে রক্ত, ওষুধসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামাদি আদান প্রদানের জন্য এ ড্রোন বন্দর তৈরি করা হবে। এ ধরনের একটি ড্রোন বন্দর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রিটিশ স্থাপত্যবিদ নরম্যান ফস্টার।
প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এ বন্দর ব্যবহার করে কার্গো ড্রোন বিশেষ রুট ব্যবহার করে দরকারি সরঞ্জাম নির্দিষ্ট লক্ষ্য পৌঁছে দেবে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনটি বিশেষ দালান তৈরি করা হবে যার নির্মাণকাজ ২০২০ সাল নাগাদ শেষ হবে। এই বন্দর থেকে রুয়ান্ডার প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আদান প্রদান করা যাবে। বন্দর ব্যবহার করে ৬০ মাইলের মধ্যে রক্ত এবং জীবন রক্ষাকারী সব উপাদান স্বল্প খরচে বহন করতে সক্ষম হবে ড্রোন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার পর রুয়ান্ডা ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। পরবর্তীতে প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারে সরকার খুব দ্রুত সময়ে এ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠে। ক্ষমতাবান প্রেসিডেন্ট পাল কাগামি রাজধানী কিগালিকে বিনিয়োগকারী ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের কেন্দ্রস্থলে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এ বন্দর ব্যবহার করে কার্গো ড্রোন বিশেষ রুট ব্যবহার করে দরকারি সরঞ্জাম নির্দিষ্ট লক্ষ্য পৌঁছে দেবে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনটি বিশেষ দালান তৈরি করা হবে যার নির্মাণকাজ ২০২০ সাল নাগাদ শেষ হবে। এই বন্দর থেকে রুয়ান্ডার প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আদান প্রদান করা যাবে। বন্দর ব্যবহার করে ৬০ মাইলের মধ্যে রক্ত এবং জীবন রক্ষাকারী সব উপাদান স্বল্প খরচে বহন করতে সক্ষম হবে ড্রোন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার পর রুয়ান্ডা ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। পরবর্তীতে প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারে সরকার খুব দ্রুত সময়ে এ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠে। ক্ষমতাবান প্রেসিডেন্ট পাল কাগামি রাজধানী কিগালিকে বিনিয়োগকারী ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের কেন্দ্রস্থলে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

