২০৪৫ সালে বিশ্ব কেমন হবে তারই ধারণা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কয়েকজন ভবিষ্যত্ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ। তারা বলেছেন, মাত্র ৩০ বছরের ব্যবধানে বিশ্ব অন্যরকম এক উচ্চতায় পৌঁছাবে। তখন আজকের মানুষের বাস করার ভবনও তাদের সঙ্গে কথা বলবে। বিমান নিজ থেকেই উড়বে। এর কোনো জানালা থাকবে না। বাতাস প্রবেশ এবং বের হওয়ার কাজটি হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। অর্থাত্ আমরা আগামী ৩০ বছর পর কিভাবে ভ্রমণ করবো, কাজ করবো এবং বাস করবো তার একটি পরিকল্পনা করেছেন এসব ভবিষ্যত্ পৃথিবীর বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এর মানে এই নয় যে, বিশ্বের সমাজ ব্যবস্থা স্বায়ত্তশাসিত হবে। এক বিশেষজ্ঞ আবার বলেছেন, আমরা হয়তো আবার কলম এবং কাগজের যুগেই ফিরে যাবো। আমরা প্রযুক্তিকে পরিত্যাগ করতে পারি। ভবিষ্যত্ প্রবক্তা ড. পিয়ার্সন বিশ্বাস করেন, ২০৪৫ সালের মধ্যে সু্উচ্চ ভবনগুলোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে, থাকবে ব্যক্তিত্ব। তারা মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। বাড়ি এবং অফিস নিজ থেকেই তথ্য সংগ্রহ করবে। কখন ভবনটি সংস্কার করার প্রয়োজন হবে সেটিও বলে দিবে ভবন। ভবিষ্যত্ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ, রোবট বিশেষজ্ঞ এবং অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ভবিষ্যত্ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ। আছেন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞও। ভবনগুলোতে এলিভেটর থাকবে যাতে ম্যাগনেটিক পদার্থ থাকবে। জার্মানের এক প্রকৌশলী ইতোমধ্যে এই ধরনের প্রযুক্তির ভবন তৈরির কাজ শুরু করেছেন। এছাড়া এমন একটি আকৃতি গড়ে তোলা হবে যাতে থাকবে অর্ধেক মানুষ এবং অর্ধেক মেশিন। -ডেইলি মেইল অনলাইন

