রমেশ সরকার, শেরপুর প্রতিনিধি
অবশেষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি আশরাফ হোসেন খোকা এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম লিটনের হস্তক্ষেপে সিংগাবরুনা ইউনিয়ন আ’লীগের বিবদমান দু’গ্রুপের মধ্যে শনিবার সকালে আপোষ মীমাংসা হয়েছে।
জানাগেছে, সিংগাবরুনা ইউনিয়ন আ’লীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান হিপুল মদ, জোয়া ও সামাজিক অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা করায় মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে অবস'ান নেয়। কমিটি থেকে বঞ্চিত আ’লীগের একটি অংশ সভাপতি ও সম্পাদককে মেনে না নেওয়ায় তারা বিপক্ষে অবস'ান নেয়। এতে করে সৃষ্টি হয় দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ। বিগত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে সভাপতি রহুল আমীনের ঈদ শুভেচ্ছা বিল বোর্ডে গোবর লেপে নষ্ট করায় দু’গ্রুপের দ্বন্দ প্রকট আকার ধারণ করে। এরই জের ধরে ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে সাবেক সভাপতির ছেলে আলমাছ ওরফে বাদুর মদ খেয়ে কর্ণঝোড়া বাজারে সভাপতি সম্পাদককে গালাগালি করে। এসময় সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান হিপুল গালগিালি করতে নিষেধ করলে সে আরো ক্ষিপ্ত হয় এবং শুরু হয় বাক বিতন্ডা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তার পক্ষের লোকজন লাঠি সোডা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আ’লীগ অফিসে হামলা ও ভাংচুর করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ মামলা দায়ের করে। দলীয় ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন এবং উভয় পক্ষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস' না হয় এ উদ্দেশ্যে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শনিবার সকালে সিংগাবরুনা ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পক্ষকে ডেকে আপোষ মীমাংসা করে দেন। এসময় উপসি'ত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আবু রায়হান বাবুল, সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রহমান, কাকিলাকুড়া ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বর্তমান আ’লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রহল আমীন, সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান হিপুল, সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইয়ানুছ আলী, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. আব্দুর রহিমসহ দলীয় নেতা-কর্ম।
অবশেষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি আশরাফ হোসেন খোকা এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম লিটনের হস্তক্ষেপে সিংগাবরুনা ইউনিয়ন আ’লীগের বিবদমান দু’গ্রুপের মধ্যে শনিবার সকালে আপোষ মীমাংসা হয়েছে।
জানাগেছে, সিংগাবরুনা ইউনিয়ন আ’লীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান হিপুল মদ, জোয়া ও সামাজিক অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা করায় মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে অবস'ান নেয়। কমিটি থেকে বঞ্চিত আ’লীগের একটি অংশ সভাপতি ও সম্পাদককে মেনে না নেওয়ায় তারা বিপক্ষে অবস'ান নেয়। এতে করে সৃষ্টি হয় দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ। বিগত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে সভাপতি রহুল আমীনের ঈদ শুভেচ্ছা বিল বোর্ডে গোবর লেপে নষ্ট করায় দু’গ্রুপের দ্বন্দ প্রকট আকার ধারণ করে। এরই জের ধরে ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে সাবেক সভাপতির ছেলে আলমাছ ওরফে বাদুর মদ খেয়ে কর্ণঝোড়া বাজারে সভাপতি সম্পাদককে গালাগালি করে। এসময় সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান হিপুল গালগিালি করতে নিষেধ করলে সে আরো ক্ষিপ্ত হয় এবং শুরু হয় বাক বিতন্ডা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তার পক্ষের লোকজন লাঠি সোডা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আ’লীগ অফিসে হামলা ও ভাংচুর করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ মামলা দায়ের করে। দলীয় ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন এবং উভয় পক্ষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস' না হয় এ উদ্দেশ্যে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শনিবার সকালে সিংগাবরুনা ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পক্ষকে ডেকে আপোষ মীমাংসা করে দেন। এসময় উপসি'ত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আবু রায়হান বাবুল, সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রহমান, কাকিলাকুড়া ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বর্তমান আ’লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রহল আমীন, সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান হিপুল, সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইয়ানুছ আলী, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. আব্দুর রহিমসহ দলীয় নেতা-কর্ম।
