রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন

S M Ashraful Azom
রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং (এপিজি)। সংস্থাটি জানতে চেয়েছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় কেন এতো নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়। একই পরিচয়ে ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগের বিষয়টিও উঠে আসে। আলোচনা হয় পুঁজিবাজারে অনিয়ম, ব্যাংক-বীমা খাতে কেলেঙ্কারিসহ আর্থিক খাতের নানা ইস্যু নিয়ে। তবে বৈঠকে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের উন্নয়নের বিষয়গুলোও প্রসংশা পেয়েছে। বুধবার দেশের ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে  বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।
 
জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট খাতের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান-বিএসইসি, আইডিআরএ ও এমআরএ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আর্থিক খাতের সব অভিভাবক প্রতিষ্ঠানের মুখোমুখি হচ্ছে এপিজি প্রতিনিধি দল। সব বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন তারা।
 
বৈঠক বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিষয়ে বাংলাদেশকে মূল্যায়ন করতে আসা এপিজি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বেশ কিছু বিষয়ে বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে। তবে এ বিষয়ে ওই সংস্থার কিছু কিছু সুপারিশ বাংলাদেশ সঠিকভাবে পরিপালন করতে পারেনি বলেও জানান তিনি।
 
রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংক, ব্যাংক পরিচালক, বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এপিজি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সে প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ৩৭টি ব্যাংক লাইসেন্স আবেদন করেছিল। তারমধ্যে যাছাই-বাছাই শেষে ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়। যে ২৮টি দেয়া হয়নি সেগুলো ছিল অতি রাজনৈতিক। এ ছাড়া পুঁজিবাজার, বিমা ও এমআরএ নিয়ে করা প্রশ্নেরও জবাব দেয়া হয়েছে।
 
এর আগে গত রবি ও সোমবার ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতি ও পাচার রোধে ৪০টি সুপারিশ করে এপিজি। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বিএফআইইউ-সিআইডি ও আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের  সঙ্গে বৈঠকে এপিজির ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল এ সুপারিশ করে।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top