সৌদি আরবের এক প্রতিবাদী কিশোরের মা
তার সন্তানের মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার
সাহায্য চেয়েছেন। মোহাম্মদ আল নিমার নামের ওই কিশোরকে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ
শাস্তি হিসেবে শিরশ্ছেদের পর ক্রুশবিদ্ধ করার সাজা ঘোষণা করা হয়েছে।
ওই
কিশোরের মা নুসরা আল আহমেদ গার্ডিয়ানকে দেয়া সাক্ষাতকারে তার ছেলেকে দেয়া
সাজাকে 'বর্বর' ও 'সবচেয়ে পশ্চাৎপদ' বলে বর্ণনা করেছেন। নিমারের শেষ আপিলও
খারিজ করে দেয়ায় যেকোনো সময় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতে পারে।
এই
বিচারপ্রকৃয়া সারা বিশ্বের মিডিয়াগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। মানবাধিকার
সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনসহ
আরো অনেক অনেকেই নিমারকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিমারকে
আটক করার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। সমান ধর্মীয় অধিকারের দাবিতে একটি
শিয়া মিছিল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তার মায়ের মতে, শিয়া
মতাবলম্বী হওয়ার কারণেই তাকে এই সাজা দেয়া হয়েছে। এখন শুধুমাত্র
প্রেসিডেন্ট ওবামাই তার সন্তানের জীবন রক্ষা করতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।
সম্প্রতি
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি হয়েছে সৌদি আরব। এর পর থেকেই দেশটিতে
প্রচলিত নির্মম দণ্ড ব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।

