সেবা ডেস্ক: পড়ে গিয়ে, কম্পিউটারে কাজ করার ফলে কিংবা অনবরত কাজ করে হাতকে বিশ্রাম না দিলে হাতের কব্জিতে ব্যথা হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন রোগের কারণেও হাতের কব্জিতে ব্যথা হয়। যেমন, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, ডিকোয়ারবেইনস ডিজিজ ও বিভিন্ন বাত জাতীয় রোগে।
কব্জির ব্যথা অন্যান্য ব্যথার মতো ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে। এ জন্য চাই সঠিক ট্রিটমেন্ট। না হয় খাওয়া-দাওয়াসহ আপনার অন্যান্য সব কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সঠিক ট্রিটমেন্টের জন্য প্রথমেই দরকার রোগ নির্ণয়।
বাতের ব্যথা সাধারণত সকালে বেড়ে যায়। আবার বেশি সময় ধরে কাজ না করে বসে থাকলেও হাতের কব্জির বাতের ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কাজের মধ্যে থাকলে ব্যথা কমে যায়।
কিছু সময় আবার কাজ করলে কব্জির ব্যথা বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে ব্যথার একমাত্র ট্রিটমেন্ট হচ্ছে বিশ্রামে থাকা। এছাড়া কমন কিছু ট্রিটমেন্ট আছে, যেগুলো করলে কব্জিকে ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।
ব্যথাক্রান্ত কব্জিতে কখনোই কোনো কিছু মালিশ করা ঠিক নয়। এতে ব্যথা বেড়ে গিয়ে আরও খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তবে ফিজিক্যাল থেরাপি হিসেবে আলট্রাসাউন্ড থেরাপি বা ফোনোফরোসিস ব্যবহার করলে কিছু উপকার পাওয়া যেতে পারে।
এছাড়া কবজি ডোবানো যায় এমন একটা পাত্রে অল্প গরম পানি নিয়ে হাতের কবজি ডুবিয়ে রাখা যেতে পারে। গরম পানির সাথে অল্প একটু লবন মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে। পানিতে কবজি ডুবিয়ে নিয়ে ডাক্তারের দেখানো মতে অল্প নাড়াচাড়া করা যেতে পারে। এতে বেশ উপকার পাবেন।
ব্যথাক্রান্ত কব্জির মাধ্যমে খেলাধুলা, কাপড় ধোয়া, হাতপাখা চালানো ইত্যাদি কর্ম করা যাবে না। সোজা কথায় যেসব কাজে কব্জিকে ঘোরাতে হয় সেসব কাজ করা একেবারে নিষিদ্ধ। এছাড়া কব্জির ব্যথায় রিস্ট ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারেন। আপনার হাত অনুযায়ী যে কোনো ডাক্তারের দোকানেই রিস্ট ব্যান্ড কিনতে পাওয়া যাবে।
