নিজের মেধার প্রমাণ দিতে পারলে
পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলে মোহাম্মদ আমিরের দ্বিতীয়বার সুযোগ পাওয়া উচিত
বলে মনে করছেন ইংল্যান্ডের সাবেক টেস্ট ওপেনার জিওফ্রে বয়কট।
ম্যাচ
ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধাদেশ কাটিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরছেন
আমির। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি
টুর্নামেন্টে চিটাগাং ভাইকিংসের হয়ে খেলছেন।
২৩
বছর বয়সী এ বাঁ-হাতি পেসার পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে
উইকেট শিকার করছেন এবং বিপিএলে চিটাগাং ভাইকিংসের হয়েও এ ধারা অব্যাহত
রেখেছেন। বিপিএলের প্রথম ম্যাচেই রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে চিটাগাং এর হয়ে
৩০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেছেন আমির। দ্বিতীয় ম্যাচে ১টি এবং তৃতীয় ম্যাচেও
সাফল্য অব্যাহত রেখেছেন।
বয়কট
মনে করছেন দ্বিতীয়বার একটি সুযোগ’ পাওয়া আমিরের প্রাপ্য এবং এই তরুণ
বোলারের খারাপ ইতিহাস ধরে রাখাটা পাকিস্তানের উচিত হবেনা। নিষিদ্ধ হওয়ার
আগে পাকিস্তানের হয়ে ১৪ টেস্ট, ১৫ ওয়ানডে এবং ১৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মোট ৯৯
উইকেট শিকার করেছেন আমির।
সর্বশেষ
২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন আমির। ইংল্যান্ড সফরেই
সতীর্থ সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফসহ ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত
হন আমির। তিন জনই পাঁচ বছরের জন্য ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হন এবং গত সেপ্টেম্বরে
আবার খেলায় ফেরেন।
পাক
প্যাসন ওয়েবসাইটকে বয়কট বলেন, আমি সব সময়ই আইনের শাসনে বিশ্বাসী। ম্যাচ
ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং ক্রিকেটে খেলাটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তাদের শাস্তি
আরো বেশি হতে পারত। তবে আবার তাদেরকে জেল দেয়া বিচারকের সঙ্গে আমি কথা
বলেছি। কিন্ত একবার যেহেতু তারা আইনের অধীনে শাস্তি পেয়েছে তারপর সমাজ
বলেছে তাদেরকে তোমার দ্বিতীয়বার একটা সুযোগ দেয়া উচিত। আপনি যদি কোন
মানুষকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেন, তবে সেটা সব ক্ষেত্রেই দেয়া উচিত। তাদেরকে
যথাযথ সুযোগ দিন। তারা যদি ফিট থাকে, ভাল খেলে এবং তারা যথেষ্ট ভাল থাকে
তবে পাকিস্তান দলে সুযোগ দিন।
২০০১
সালে পাকিস্তান দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা বয়কট বলেন, আমিরের বিরুদ্ধে
কোন ব্যক্তিরই কিছু বলা উচিত হবে না। আমির এবং অপর দুই খেলোয়াড়কে মেধা ও
সক্ষমতার ভিত্তিতে পাকিস্তান দলে সুযোগ দেয়া উচিত। বাসস।

