ব্রণ সমস্যার সমাধানে খাদ্যাভ্যাস

S M Ashraful Azom
ব্রণ সমস্যার সমাধানে মুখে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান ব্যবহার করে থাকি আমরা। কিন্তু তারপরও কিছুদিন পরপর দেখা যায় ব্রণ। এর মূল কারণ হিসেবে দায়ী আমাদের খাদ্যাভ্যাস। তাই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য বিদায় জানাতে পারেন ব্রণকে। আর সে জন্য ত্বকের পুষ্টির উপকারী খাবার খেকে হবে। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ত্বকের পুষ্টির জন্য উপকারী কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয় যেগুলো ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।
 
পালংশাক : শরীরে জমে থাকা টক্সিন এবং ব্যাক্টেরিয়া থেকেই ব্রণের ‍উৎপত্তি। সবুজ শাক ও সবজিতে, বিশেষ করে পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোফিল যা শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত টক্সিন ও ব্যাক্টেরিয়া পরিষোধিত করতে সাহায্য করে। আরও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে দীর্ঘদিন।
 
হলুদ : এই মসলা ত্বকের প্রদাহ রোধ করে এবং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। তাছাড়া জমে থাকা টক্সিন এবং ব্যাক্টেরিয়া দূর করে ত্বকে পুষ্টি যোগাতেও সাহায্য করে এর ঔষুধি উপাদানটি। প্রতিনি সোয়া এক চামচ হলুদ ব্যবহারেই উপকার পাওয়া যাবে।
 
কোকোয়া : দারুণ স্বাদের কোকোয়া পছন্দ করেন না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। এই মজাদার উপাদানে বাড়তি কোন চিনি নেই, তাই ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। তাছাড়া ব্রণের জন্য দায়ী অ্যাসিডের কার্যকারীতা রোধ করে কোকোয়া। ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে চকচকে করতে সাহায্য করে এই উপাদান। পুষ্টি জোগায়, ব্রণ দূর করে বলিরেখা কমিয়ে ত্বকের বয়স কমিয়ে আনে কোকোয়া।
 
গাজর : ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর এই সবজি স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তিতেও এই উপাদান সাহায্য করে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি প্রতিদিন গাজর খেলে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠবে।
 
স্যামন মাছ : সুন্দর ত্বক, সুস্থ হৃদযন্ত্র এবং মন ভালো রাখতে স্যামন মাছ বেশ উপকারী। তাছাড়া ব্রণ দূর করতেও বেশ উপযোগী এই মাছ। েরয়েছে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাট যা ত্বকের গঠনে প্রয়োজনীয় কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে এবং প্রদাহ রোধে সাহায্য করে। তাই ব্রণমুক্ত সুস্থ ত্বকের জন্য এটি খুবই উপকারী একটি খাবার।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top