মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট প্রদর্শনের
সর্বাধুনিক রেজ্যুলেশন মান হিসেবে বর্তমানে ফোরকে রেজ্যুলেশন বিশ্বব্যাপী
আলোচনায় উঠে এসেছে। এরই মধ্যে টেলিভিশন এবং মনিটরে যুক্ত হয়েছে ফোরকে
রেজ্যুলেশনের কনটেন্ট প্রদর্শনের উপযোগী ডিসপ্লে। স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট
পিসির ডিসপ্লেতেও ফোরকে রেজ্যুলেশনের সংযুক্তি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে
প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা ও গবেষকরা। তবে এক্ষেত্রে বাধা হয়ে এসেছে ব্যাটারি
খরচের বিষয়টি।
তবে
আরও গবেষণার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে সেকেন্ডে ৬০ ফ্রেম গতির আল্ট্রা এইচডি
কনটেন্ট দেখানো সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা। এর ফলে
স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসির মতো মোবাইল ডিভাইসে ব্যাটারি খরচের কথা
চিন্তা করে আর ফোরকে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে সংযোজনে বাধা থাকবে না বলেই মনে
করছেন গবেষকরা। উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের বাজারে কেবল
সনির এক্সপেরিয়া জেড৫ প্রিমিয়ামে রয়েছে ফোরকে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে।
ব্যাটারি খরচের কথা মাথায় রেখে তাতেও কেবল মিডিয়া প্লেব্যাকের ক্ষেত্রেই
মিলছে ফোরকে রেজ্যুলেশন, ওয়েব ব্রাউজিং বা স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে নয়।
মোবাইল
ডিভাইসে এমনিতেই ব্যাটারির খরচ বিশ্বব্যাপী এসব ডিভাইস ব্যবহারকারী ও
নির্মাতাদের মাথাব্যাথার বিষয়। ফোরকে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে এই ব্যাটারির
খরচকে কয়েকগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট পিসিতে
ফোরকে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লের সংযুক্তি এখনও পর্যন্ত সাধারণ বাস্তবতায়
হাজির হয়নি। এই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতেই এগিয়ে এসেছে জাপানের কোগাকুইন
ইউনিভার্সিটি এবং জাপানের টেক জায়ান্ট ফুজিত্সু।
এই
দুই প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয়ে মোবাইল ডিভাইসে ফোরকে রেজ্যুলেশনের
সংযুক্তিতেও যাতে ব্যাটারির খরচ বেশি না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য গবেষণা
চালিয়ে যাচ্ছে। এই গবেষণায় সাফল্যের খবরও জানিয়েছে তারা। উভয় প্রতিষ্ঠানের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এমন একটি সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেছেন যার
মাধ্যমে স্মার্টফোনেও ৩,৮৪০ বাই ২,১৬০ বা ফোরকে রেজ্যুলেশনের মাল্টিমিডিয়া
কনটেন্ট প্লেব্যাক করতে সক্ষম হবে। আর এর জন্য বাড়তি ব্যাটারির খরচও হবে না
বললেই চলে। ডিসপ্লের সাধারণ ব্যাটারি খরচেই এই সফটওয়্যার মোবাইল ডিভাইসে
সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেম গতিতে আল্ট্রা এইচডি কনটেন্ট দেখাতে পারবে।

