বর্ষপূর্তির আগেই বন্ধ হলো স্টার্টআপ, হারালো ১৫ লাখ রুপি

S M Ashraful Azom
0

আজকের এই প্রযুক্তি দুনিয়ায় স্টার্টআপ বলতে বুঝায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনের এক বা একাধিক সমস্যা সমাধান করতে পারে এমন একটি ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। আজ থেকে দশ বছর আগের তুলনায় এখন স্টার্টআপ কোম্পানি শুরু করা অনেক বেশি সহজ। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনোর পরপরই স্টার্টআপ ব্যবসায় যুক্ত হয়ে পড়েন। সফল অনেক স্টার্টআপের উদাহারণও রয়েছে, দেশ-বিদেশে এর নজির অনেক। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান শুরু করতে সফল হওয়ার পাশাপাশি নিঃস্ব হওয়া উদ্যোক্তার সংখ্যাও কম নয়। ব্যর্থতার পেছনে অনেক কারণ থাকে। বেশিরভাগ মানুষই স্টার্টআপের খুঁটিনাটি না বুঝেই হুজুগের ওপর সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা ছাড়াই ব্যবসা শুরু করে। তেমনই একজন ব্যর্থ উদ্যোক্তা হলেন ভারতের প্রদীপ গোয়েল। একজন উদ্যোক্ত হিসেবে ব্যবসা শুরু করা থেকে এর ব্যর্থতার বিস্তারিত তিনি সম্প্রতি লিখেছেন ওয়েবে। স্টার্টআপে আগ্রহীদের জন্য গোয়েলের ভাষ্য তুলে ধরছেন রবি হাসান
 
আমি ভেবেছিলাম স্টার্টআপের মধ্য দিয়ে মিলিয়ন ডলার আয় করব। কিন্তু আমি খুব শোচনীয়ভাবে হেরেছি। ফ্লিপকার্ট এবং জোমাটোর মতো স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর চমকপ্রদ গল্প পড়েছি। কিন্তু কেউই আমাকে বলেনি যে, ৯০ শতাংশ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোই তাদের প্রাথমিক ধাপের দুই বছরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। আর আমি হেরেছি প্রথম বছরেই। মাঝে মাঝে আমি অনুভব করি যে আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। কিন্তু ভুলগুলো আমারই ছিল। আমি শুধু গল্পের একটি দিকই জানতাম, তাই সিদ্ধান্ত নিলাম গল্পের অপর দিকটাও আপনাদের সামনে তুলে ধরব, তুলে ধরতে চাই প্রথম উদ্যোক্তাদের ব্যর্থ হওয়ার ভেতরের রহস্যগুলো।
 
২০১৩-এর এপ্রিলের দিকে গুরগাঁওয়ের একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম। কিন্তু এই চাকরিতে আমার একদমই মন বসতো না। বিরক্তিকর এই চাকরি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমার চিন্তা আমাকে সবসময়ই টেনে ধরত। আমার সহকর্মীরাও অনুভব করতে লাগল যে কিছু একটা সমস্যা চলছে আমার মধ্যে।
 
আমি মাত্র এক মাস আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসেছি। ম্যানেজারকে অনুরোধ করে এই চাকরিটা নিই আমি। আমার ছেলের বয়স তখন মাত্র ছয় মাস। প্রয়োজনের তাগিদে এই চাকরিটা নিলেও মানসিকভাবে আমি খুবই অস্বত্বি ও অতৃপ্তিতে ভুগছিলাম। আমার ভগ্নিপতি একটি রিক্রুটমেন্ট ফার্মে চাকরি করতেন। তিনিও তার চাকরি নিয়ে খুশি ছিলেন না। তাই দুই জনে মিলে কোনো একটা ব্যবসা করার কথা ভাবছিলাম। যদিও কী ধরনের ব্যবসা হবে এর কোনো ধারণা তখনও আমাদের ছিল না। তবে আমরা একে অন্যের সঙ্গে কাজ করতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম। যুক্তরাষ্ট্র থাকার সুবাদে কিছু অর্থ জমিয়েছিলাম। এই অর্থকে একটি বাড়ি কেনার বদলে ব্যবসায় ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেই। ৫ লক্ষ রুপি করে দুই জনে ১০ লক্ষ রুপি নিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করি আমরা। মাসিক ১৩ হাজার রুপি ভাড়ায় গুরগাঁওয়ে একটি বেজমেন্ট অফিস ভাড়া নিই। অফিসটির সংস্কার বাবদ আমরা আরও ১ লাখ রুপি খরচ করি। ফার্নিচার, এসি, ইনভার্টার এবং একটি ফ্রিজও কিনি আমরা। আমরা শিক্ষানির্ভর একটি সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছিলাম। কারণ শিক্ষা একটি বিলিয়ন ডলারের শিল্প খাত। অভিভাবকদের জন্য একটি শিশুই হচ্ছে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম খরচের মাধ্যম। তাই আমরা ভেবেছিলাম, স্কুলনির্ভর একটি পণ্যই হতে পারে বড় ধরনের মুনাফা অর্জনের সুন্দর মাধ্যম। আমরা একটি ইআরপি টুল অর্থাত্ এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং টুল তৈরির সিদ্ধান্ত নিই। এটি একটি অনলাইন সফটওয়্যার, এর মাধ্যমে একটি স্কুলের মাসিক ফি থেকে শুরু করে, তালিকা তৈরি, উপস্থিতি-অনুপস্থিতিসহ অভিভাবকদের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করার ব্যবস্থার পাশাপাশি আরও অনেক কিছুই থাকবে।
 
আমরা যখনই এই আইডিয়াটি ডেভেলপ করলাম, আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ ছিলো একটি দল তৈরি করা। আমি খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, একটি দল খুব সহজেই তৈরি করতে পারব আমরা। সেই টিম তৈরি করে দ্রুত পণ্যটি তৈরির প্রাথমিক কাজ শেষ করি এবং এটি বিক্রির জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করলাম। আর তখনই আমরা মুখোমুখি হতে থাকলাম হাজারও সমস্যার। আমাদের প্রথম গ্রাহক, একটি নামী স্কুলের প্রিন্সিপাল আমাদের আইডিয়া এবং ডেমো দেখে খুব প্রশংসা করেন। কিন্তু তিনি তার ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত পাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে অপেক্ষায় থাকতে বললেন। আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, একবার বাজারে আমাদের পণ্যটি স্থান পেলেই অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে। কারণ বাজারে থাকা এই ধরনের অন্য সব পণ্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার যাবতীয় ফিচার আমরা যোগ করেছি এখানে। কিন্তু প্রোডাক্ট ডিজাইনের কিছু দিক নিয়ে আমরা নিজেরাও সন্তুষ্ট ছিলাম না এবং একে আরও উন্নত করার চেষ্টায় ছিলাম। এক পর্যায়ে বুঝলাম যে, পণ্যটি বিক্রি করতে হলে আমাদেরকে চাকরি ছেড়ে দিতে হবে।
 
আমরা এই রিস্ক নেওয়ার জন্য তৈরিও ছিলাম এবং তাই করলাম। সবকিছুই ভালো চলছিলো। ডেভেলপারও খুব খাটছিলো সেই কয়েকটা দিন। এরইমধ্যে হাজির হলো নতুন সারপ্রাইজ—আমাদের ডিজাইনার ল্যাপটপটি নিয়ে পালিয়ে যায়। আমারা তাকে ট্র্যাক করে ল্যাপটপটি রিকভার করি, কিন্তু ততক্ষণে আমরা আমাদের একমাত্র ডিজাইনারকে হারাই। আমি নিজেই বেসিক ওয়েব ডিজাইন তৈরি করার চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করি। একমাস খুব খেটে সুন্দর একটি প্রোডাক্ট দাঁড় করাই আমরা।
 
এরইমধ্যে আমরা বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে আলোচনা শুরু করি। কিন্তু আমরা কেউই সেলস ব্যাকগ্রাউন্ডের নই। আরও জানলাম যে এই পণ্য ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একজন প্রিন্সিপালের নেই। আর এই সিদ্ধান্তদাতাকে স্কুলে পাওয়া খুবই কষ্টকর। অধিকাংশ স্কুলের পরিচালকরা ইমেইল চেক করেন না। আমরা অন্যদের তুলনায় পণ্যটির মূল্য অনেক কমিয়ে দিলেও এটি বিক্রি করতে আমরা ব্যর্থ ছিলাম। আমরা একেবারেই হতাশ হয়ে পড়ি।
 
এরপর আমরা নামী স্কুলের আশা ছেড়ে ছোট ও মধ্য পর্যায়ের স্কুলে বিক্রির জন্য সিদ্ধান্ত নিই। যদি আরও কম মূল্যে বিক্রি করতে হয়, তবুও। কিন্তু দিন দিন কো-ফাউন্ডারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বেড়েই চলছে আমার। এদিকে আমাদের জমানো টাকাও প্রায় শেষ। এরইমধ্যে আমাদের বড় একটি প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান থেকে একজন সেলসম্যান আমরা নিয়োগ দিই। তার কাছ থেকে পণ্য বিক্রির গোপন তথ্য শোনার পর ভেবেছিলাম যে এবার বোধহয় একটি সিলভার বুলেট পেয়েছি আমরা। প্রতিযোগীদের পণ্য বিক্রিকে হয়তো আমরা ছাড়িয়ে যেতে পারব। তিনি আমাদের সঙ্গে এক মাস কাজ করলেন। কিন্তু একটি জায়গায়ও পণ্যটি বিক্রির বিন্দু পরিমাণ সম্ভাবনা তিনি সৃষ্টি করতে পারেননি। আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলাম, আর ভাবছিলাম, সমস্যাটা কোথায়। পরে বুঝলাম এবং জানলাম যে, একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখেন। তিনি তো সবেমাত্র ওই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডটি কাজে লাগিয়েছিলেন। একটি অখ্যাত স্টার্টআপ কোম্পানির পণ্য বিক্রির যোগ্যতা তার নেই। কিন্তু আমাদের চিন্তাকে টিকিয়ে রাখার জন্য আরও টাকার প্রয়োজন হয়ে পড়ল। আমরা আমাদের খরচ কমাতে শুরু করলাম। আমাদের একমাত্র ডেভেলপারকে বেতন থেকে সরিয়ে ২০% শেয়ারে নিয়ে আসলাম। বড় স্কুল বাদ দিয়ে একেবারেই অখ্যাত ও মধ্যম ঘরানার স্কুলগুলোকে টার্গেট করলাম। সেলসম্যানকে ছাঁটাই করে আমরা নিজেদের সবটুকু সময় সেলসে বিনিয়োগ করলাম। কিন্তু আমাদের সুদুরপ্রসারী ভাবনা মোটেও ঠিক লাইনে ছিল না। ততদিনে বুঝে গিয়েছি, আমাদের সম্পর্কও হয়তো ভেঙে যাবে যদি একসঙ্গে আর কিছুদিন কাজ করি। সমান মালিকানায় কাজ করার জন্য কো-ফাউন্ডারের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করি। কিন্তু তিনি পুরো প্রতিষ্ঠানের একক মালিকানা নিয়ে নেন এবং আমাকে প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভবিষ্যতে যদি এতে মুনাফা দেখা যায় তাহলে আমার বিনিয়োগ করা অর্থ তিনি ফেরত দিবেন।
 
এখন পর্যন্ত আমরা ১৫ লাখেরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছি এমন একটি পণ্যের পেছনে যা ক্রয় করার জন্য কারও ইচ্ছা নেই। কয়েক সপ্তাহ পর আমার কো-ফাউন্ডার নতুন একটি চাকরিতে যোগ দেন। সমাপ্তি হলো স্কুলজিনি স্টার্টআপের।
 
১। কোনো পণ্য তৈরির পূর্বে তার ক্রেতা সম্বন্ধে ভালো করে জানো
 
এতক্ষণে হয়তো পয়েন্টগুলো পরিস্কার হয়ে গেছে। আমাদের প্রতিযোগীদের কথা মাথায় রেখে তাদের চেয়ে অনেক ভালো এবং মানসম্মত পণ্য তৈরি করেছি আমরা। তবে আমাদের উচিত ছিলো, পণ্যটি তৈরি করার আগেই গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা করা। যেকোনো ভাবেই হোক আমাদের উচিত ছিলো, দুই-তিনটি স্কুলে পণ্যটিকে যাচাই করার সুযোগ দেওয়া। আর চাকরি ছাড়ার আগেই আমাকে অবশ্যই পণ্যটির মেয়াদ সম্বন্ধে ধারণা থাকা প্রয়োজন ছিলো।
 
২। জানতে হবে অর্থ কোথায় খরচ এবং কোথায় সংরক্ষণ করতে হবে
 
আমরা অধিকাংশ অর্থই খরচ করি অফিসের অবকাঠামো তৈরি এবং কর্মচারীদের বেতনে। ঘরে বসে কাজ করে এবং কর্মচারীদেরকে টার্গেটে নিয়োগ দিয়ে আমরা ৮০% অর্থ ব্যয় থেকে রক্ষা করতে পারতাম। আমরা পণ্যটির প্রফেশনাল ডিজাইনে অর্থ কম খরচ করেছি, মার্কেটিং উপাদানে খরচ কম করেছি। কিন্তু এখানেই বিনিয়োগ করা উচিত ছিলো উপযুক্ত পরিমাণে। গ্রাহকরা সবসময়ই তোমার ওয়েবসাইট দেখতে চাইবে। ওয়েবসাইট সম্পন্ন না থাকলে তারা এদিকে ভেবেও দেখবে না।
 
৩। যদি তুমি ডেভেলপার নাও হও, তারপরও কোডিংয়ের পেছনে নিজের মেধা ব্যয় করো
 
যিনি কোডিং সম্বন্ধে একেবারেই জানেন না, তিনি তার ডেভেলপারের ত্রুটিগুলো সহজে ধরতে পারবে না। যদি ফাউন্ডারদের মধ্যেই কোডিং সম্বন্ধে জানা না থাকে তাহলে এই ধরনের সফটওয়্যার ব্যবসায় সে কখনোই সফল হবে না।
 
৪। যদি তুমি সেলস ব্যাকগ্রাউন্ডের নাও হয়, বিক্রি তোমাকেই করতে হবে
 
চণ্ডিগড়ের স্থানীয় স্কুলগুলোকে পণ্যটি বিক্রির যথার্থ চেষ্টা করি। মাত্র এক মাসে ৫০টি স্কুলে যাই আমি, এর মধ্যে ৩টি ছিলো একেবারেই সম্ভাব্য। আমি শুধুই বিক্রির প্রক্রিয়া সম্বন্ধেই শিখিনি, গ্রাহকদের সমস্যা সম্বন্ধেও জেনেছি। তোমার গ্রাহকের সমস্যার দিকগুলো তুমি ভালো করে জানলে অবশ্যই একটি ভালো পণ্য তৈরি করতে পারবে।
 
৫। নিজের অনুভূতিকে বিশ্বাস করো এবং সিদ্ধান্ত নাও
 
দৃঢ় সিদ্ধান্তে যাওয়ার বেলায় আমরা খুবই বাজে ছিলাম। কঠিন বিষয়গুলোকে আমরা এড়িয়ে যাই, যেমন—সেলস বাজেট, নিয়োগ এবং ছাটাই, কর্মচারীকে শেয়ার দেওয়া, বড় স্কুল ও ছোট স্কুলের টার্গেট অনুধাবন এবং তাদের প্রয়োজনীয়তা, ফ্রি সমাধান ও প্রিমিয়াম চার্জিং ব্যবস্থা ইত্যাদি। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার বেলায় তোমার কাছে শতভাগ তথ্য থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। তবে ৬০-৭০ শতাংশ ধারণা থাকাটাই যথেষ্ট। তারপর নিষ্ঠা দিয়ে একে শতভাগে পরিণত করা সম্ভব।
 
৬। একটি স্টার্টআপ পণ্যের ক্ষেত্রে অর্থ শুধুমাত্রই মাধ্যম
 
আমরা উদ্যোক্তারা উদ্যোগ নিই কাস্টমারদের সমস্যার দূর করার উদ্যেশ্যে। আবার এও বলা যায় যে, আমরা আমাদের আবেগকে অনুসন্ধান করার উদ্যেশ্যে উদ্যোক্তা হই। আর অর্থ একটি স্টার্টআপ গাড়ির ক্ষেত্রে জ্বালানীমাত্র। যদি তুমি অর্থের দিকে বেশি মনোযোগ দাও, তাহলে তুমি হবে অদূরদর্শী। তুমি স্বল্পমেয়াদী অর্থ আয় করতে পারবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী পথগুলো তুমি হারিয়ে ফেলবে। কাস্টমারের সমস্যা সমাধান করাই হতে হবে লক্ষ্যবস্তু, আর গ্রাহককে রাখতে হবে সদা খুশি। তবেই টাকা তোমায় খুঁজবে।
 
সর্বশেষ ১১ মাস পর্যন্ত খরচ
 
প্রাথমিক ছয় মাস :৯,৫৬,০০০ রুপি
 
বেতন :৩,০০,০০০ রুপি
 
ভাড়া :৫৬,০০০ রুপি
 
মার্কেটিং এবং অন্যান্য :২,০০,০০০ রুপি
 
সর্বমোট :১৫,৪২,০০০ রুপি
 
ছয় মাসে পণ্য উন্নয়নের খরচ
 
প্রতিষ্ঠান স্থাপন :৩০,০০০ রুপি
 
অফিস পুনঃসংস্কার :১,২০,০০০ রুপি
 
এসি, ফ্রিজ ও ইনভার্টার : ৪০,০০০ রুপি
 
ভাড়া :৯১,০০০ রুপি
 
বেতন :৩,৬০,০০০+১,০০,০০০+৬৫,০০০ রুপি
 
মার্কেটিং এবং অন্যান্য :১,০০,০০০ রুপি
 
সর্বমোট :৯,৫৬,০০০ রুপি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top