সেবা ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের বি-১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এই ইউনিটের বিষয়গুলো হচ্ছে বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট। গত ২৬ অক্টোবর বি-১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানায়, কলা অনুষদের বি-১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নাম্বারে। পরীক্ষায় ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। প্রত্যেকটি প্রশ্নের মধ্যে চারটি করে বিকল্প উত্তর দেয়া থাকে সেখান থেকে একটি উত্তর বেছে নিতে হয়। এছাড়াও ভর্তি ইছুক শিক্ষার্থীও এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল এর ভিত্তিতে রয়েছে আরও ২০ নাম্বার।
বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, বাণিজ্য অনুষদের বি-১ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চারটি বিকল্পএর মধ্যে যেটি সঠিক, সেটি হালকা করে ঝাপসা করে দেওয়া হয়েছে। যেমন-বি-১ ইউনিটের প্রশ্ন সেট-২-এর মধ্যে প্রশ্নের উত্তরটি ঝাপসা করে দেওয়া হয়। এভাবে ১০০ টি প্রশ্নের মধ্যে যে এমসিকিউ টি সঠিক হবে সেটি ঝাপসা করে দেয়া ছিল।
শাহাদাত হোসেন নামের এক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘পরীক্ষা দেওয়ার পর বাসায় গিয়ে উত্তর মেলাতে গিয়ে দেখি প্রশ্নের উত্তর ঝাপসা করে দেয়া। এনিয়ে আমিসহ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ লেখালেখি করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রশ্নপত্রের প্রতিটি প্রশ্নেরই উত্তরের অপশনটি এভাবে ঝাপসা করে দেয়াটা কোনো সাধারণ ভুল হতে পারে না। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো বড় ধরনের জালিয়াতি আছে। রাফসান মাহমুদ নামের আরেক পরীক্ষার্থী বলেন,‘এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত বিচারের দাবি জানাই। অবিলম্বে এ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষার নিয়ে মেধাবীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে।
কলা অনুষদের ডিন ও কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি মো. সেকান্দাদার চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যে বি-১ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে লেখালেখি দেখি। তখন আমরা যাচাই-বাছাই করে প্রশ্নে কোন ধরনের অস্ংগতি পায়নি। এ কারণে আমরা সোমবার থেকে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া শুরু করেছি ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এতো দিন পর কেনো অভিযোগ তুলছে। তারা গত ১২ দিন কোথায় ছিল? প্রশ্নে কোন সমস্যা নেই।’