সেবা ডেস্ক: মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক নেতা হিসেবে জনপ্রিয় অং সান সুচি রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। রোহিঙ্গাদের ওপর চলা দমন ও নিপীড়ন নিয়ে কোন মন্তব্য না করায় তার নোবেল ফেরত নেয়ার জন্যও পিটিশন চলছে। এমন সময় সুচি জানালেন, রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মহল এই বিষয়টি নিয়ে তাদের 'নেতি বাচক দৃষ্টিভঙ্গি' প্রদান করায় অভ্যন্তরিন ভাবে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে তার জন্য। এই শান্তিতে নোবেল জয়ী মিয়ানমারের এই সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, সামরিক বাহিনীর ওপর আক্রমণের কারণে এই হামলা শুরু হয়। আর সামরিক বাহিনীর ওপর হামলার জন্য সরকার রোহিঙ্গাদের দায়ী করছে।
উল্লেখ্য, বিগত এক মাসে ৮৬ জন রোহিঙ্গা মারা গেছে এবং প্রায় ১০ হাজার জন মৃত্যু ভয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। চীনের হিসেব অনুসারে, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে তাদের সীমান্তাঞ্চলে পালিয়ে গেছে ৩৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা যাদের অধিকাংশ আহত ছিল।
অংসান সুচি এ ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে দায়ী করে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করলে আমি খুব খুশি হব। তিনি আরো বলেন, দুই পক্ষে বিভেদ ও দ্বন্দ্বকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করার বদলে এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষা জন্য তারা কিছু করলে ভাল হবে।
সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রায়ত্ত চ্যানেল নিউজ এশিয়াকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সুচি আরো বলেন, সবাই যদি বিষয়টার খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করে, তাহলে কোন শান্তি আসবে না। মূল বিষয়টাও সবাইকে বুঝতে হবে। আর তাহলো, পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। রয়টার্স।