সেবা ডেস্ক: শীত পড়ুক না পড়ুক এ যে ডিসেম্বর৷ মনের পালে বড়দিনের হাওয়া লাগতে শুরু করেছে৷ এদিকে আবার ষোলোর পালা শেষ সতেরোর সাতকাহন শুরু হবে৷ এখন কি আর হাত গুটিয়ে, জিভ শুকিয়ে বসে থাকা চলে? না, একেবারেই না৷ তায় আবার এবার ক্রিসমাস, ইয়ার এন্ড, নিউ ইয়ার সবই পড়েছে উইকএন্ড-এ৷ কেই বা চাইবেন না, একটু উল্লাসের পাত্রে চুমুক দিতে!
সে তো না হয় হল৷ কিন্তু তার পরদিনই যে আবার অফিস৷ সে খেয়াল আছে কি? পারবেন আগের দিন গলা পর্যন্ত উৎসবে ডুবে থেকে পরদিন হ্যাংওভার কাটিয়ে সাতসকালে অফিসের দুয়ারে পৌঁছতে? আলবাত পারবেন৷ এই সহজ পাঁচ উপায়ে৷
জল – সকালবেলা উঠে যখন মনে হবে আগের দিন অতটা খেলেও পারতেন, তখন আপনার মাথাব্যথার একমাত্র ওষুধ জল৷ আজ্ঞে হ্যাঁ, বিশুদ্ধ পানীয় জলেই শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে রাতের যাবতীয় টক্সিন৷

কলা – এই ফলের গুণগান বারবার গেয়েও শেষ হওয়ার নয়৷ রাতের উচ্ছ্বাসের পর সকালে উঠতে গিয়ে চট করে অনেকের মাথাই ঘুরে ওঠে৷ চটজলদি একটা-দু’টো কলা খেয়ে নিন৷ পেট শান্ত থাকলে, হ্যাংওভারও বিদায় নেবে৷
মধু – মধুর রাত কাটানোর পর সকালে মধুই আপনার একমাত্র অমৃত হতে পারে৷ অনেকেই জানেন না পটাশিয়াম ছাড়াও মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে৷ তাই হ্যাংওভার কাটাতে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার বদলে এই প্রাকৃতিক ওষুধ টোস্ট কিংবা বিস্কুটের উপর লাগিয়ে খেয়ে ফেলুন৷
তাজা ফলের রস – অ্যালকোহল মানুষের শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়৷ ফলে সকালে উঠলে অনেকেরই দূর্বল লাগে৷ এই সমস্যার সমাধানের একমাত্র উপায় এমন তাজা ফলের রস খাওয়া যাতে গ্লুকোজ রয়েছে৷

গরম স্যুপ – খুব বেশি হ্যাংওভার কাটাতে এর থেকে ভাল আর কিছুই হতে পারে না৷ ধোঁয়া ওঠা গরম স্যুপের স্বাদ ও গন্ধে ফের চাঙ্গা হয়ে উঠবে আপনার শরীর৷
