লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ চিকিৎসার অভাবে কারণে শিরিণ জাহানকে বাচাঁনো সম্ভাব হয়নি। গত রবিবার সকাল ১০ ঘটিকার দিকে শিরিণ জাহান সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।
তার ইন্তেকালে এলাকাবাসি গভীরভাবে শোকাহত আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪০ বছর ।
তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ কিডনী সমস্যা নিয়ে দেশের বহু হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভারত নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করার জন্য অনুরোধ করেন। পারিবারিক অভাব অনটনের কারনে শিরিন চিকিৎসা জন্য ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার জন্য গত ৩ আগষ্ট বিত্তশালীদের নিকট সাহায্যের জন্য পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করেন । কিন্ত বিত্তশালীরা কেউ এগিয়ে আসে নাই ।
ভাগ্যের কী পরিহাস জিনের বাদসা শিরিনের মোবাইলে ফোন করে আমেরিকা থেকে চিকিৎসার জন্য ১২ লক্ষ টাকা শিরিনের একাউন্টে পাঠাবেন কিন্তু শর্ত হল জিনের বাদশাকে বিকাশ করে ১২হাজার টাকা দিতে হবে। শিরিন বুঝতে পেরে টাকা বিকাশ করে নাই। আর ১২ লক্ষ টাকাও পাওয়া হয়নি।
অবশেষে বিনা চিকাৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো । বিত্তবানদের আর শিরিকে টাকা দেওয়া লাগবে না। মৃত্যূ কালে শিরিন ২ মেয়ে এক ছেলে রেখে গেছেন। শিরিনের গামের বাড়ি পৌর ১২ নং ওয়ার্ডে সিকদার বাড়ির বাদশা মিয়ার বড় মেয়ে বলে জানা যায়।
তার স্বামীর বাড়ি ১৫ নং ইউনিয়নের বাইশ মারা গ্রামে। গত রবিবার সন্ধা ৭টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি যেন জান্নাত বাসী হয় তার জন্য দোয়া চেয়েছেন শিরিনের বড় ভাই মান্নান । তাদের পরিবার যেন এই শোক সামলিয়ে ধৈয্যধারণ করে থাকতে পারে তার জন্য দেশ বাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন শিরিনের পরিবার।
তার ইন্তেকালে এলাকাবাসি গভীরভাবে শোকাহত আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪০ বছর ।
তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ কিডনী সমস্যা নিয়ে দেশের বহু হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভারত নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করার জন্য অনুরোধ করেন। পারিবারিক অভাব অনটনের কারনে শিরিন চিকিৎসা জন্য ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার জন্য গত ৩ আগষ্ট বিত্তশালীদের নিকট সাহায্যের জন্য পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করেন । কিন্ত বিত্তশালীরা কেউ এগিয়ে আসে নাই ।
ভাগ্যের কী পরিহাস জিনের বাদসা শিরিনের মোবাইলে ফোন করে আমেরিকা থেকে চিকিৎসার জন্য ১২ লক্ষ টাকা শিরিনের একাউন্টে পাঠাবেন কিন্তু শর্ত হল জিনের বাদশাকে বিকাশ করে ১২হাজার টাকা দিতে হবে। শিরিন বুঝতে পেরে টাকা বিকাশ করে নাই। আর ১২ লক্ষ টাকাও পাওয়া হয়নি।
অবশেষে বিনা চিকাৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো । বিত্তবানদের আর শিরিকে টাকা দেওয়া লাগবে না। মৃত্যূ কালে শিরিন ২ মেয়ে এক ছেলে রেখে গেছেন। শিরিনের গামের বাড়ি পৌর ১২ নং ওয়ার্ডে সিকদার বাড়ির বাদশা মিয়ার বড় মেয়ে বলে জানা যায়।
তার স্বামীর বাড়ি ১৫ নং ইউনিয়নের বাইশ মারা গ্রামে। গত রবিবার সন্ধা ৭টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি যেন জান্নাত বাসী হয় তার জন্য দোয়া চেয়েছেন শিরিনের বড় ভাই মান্নান । তাদের পরিবার যেন এই শোক সামলিয়ে ধৈয্যধারণ করে থাকতে পারে তার জন্য দেশ বাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন শিরিনের পরিবার।
