সেবা ডেস্ক: মেধাবী ছাত্র রাসেল মাহমুদের পড়শুনার খরচ জোগাতে এগিয়ে এসেছেন সমাজের বিত্তবানরা। অপ্রতিরোধ্য রাসেল মাহমুদ এবার এগিয়ে যাবে নিজের মতই ।
বরিশাল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ লাভের পর টাকার অভাবে যখন ভর্তি হতে পারছিলেন না তখনই বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের পর সবার দৃষ্টিগোচরে পড়ে রাসেল মাহমুদ।
টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারবে না এমনটা হতে পারে না।
রাসেলের পরিবারে যখন হতাশার গ্লানি তাড়া করে ফিরছিল ঠিক তখনই সেই ছাত্রের পাশে দাঁড়ায় বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান সিদ্দিক।
তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে ধরনা ধরে রাসেলের ভর্তির ব্যবস্থা করে দেন। শুধু তাই নয় মেডিকেলে পড়ার জন্য শিক্ষাবর্ষে যা খরচ হবে তাও ব্যবস্থা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে অবশেষে এগিয়ে আসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ ।
তার দেয়া ৫ লক্ষে টাকায় বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার দড়িপাড়া গ্রামের দরিদ্র মেধাবী ছাত্র রাসেল মাহমুদ বরিশাল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় তার নামে ব্যাংক হিসাব নম্বর মঙ্গলবার খোলা হয়েছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিঃ এর বকশীগঞ্জ শাখায় স্ট্যান্ডার্ড বাংকে “ ইউএনও এবং রাসেল মেডিকেল”, হিসাব নম্বর-০১৭৩৪০০২২৪১ হিসাব নম্বরটি চালু করা হয়।
বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ মেডিকেলের ছাত্র রাসেল মাহমুদের পাঁচ বছরের পড়াশুনার খরচ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করলে সেই টাকাগুলো নতুন হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।
পড়াশুনার খরচ বাবদ প্রথম দুই বছর সাত হাজার , পরের বছর গুলোতে প্রতিমাসে নয় হাজার টাকা করে উত্তোলন করতে পারবে মেডিকেলের ছাত্র রাসেল মাহমুদ।
হিসাব নম্বরটি খোলার পর বকশীগঞ্জ ইউএনও’র কার্যালয়ে রাসেল মাহমুদ ও তার বাবা মোতালেব হোসেনের কাছে ফাইলটি হস্তান্তর করা হয়।
এসময় বকশীগঞ্জ ইউএনও আবু হাসান সিদ্দিক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. আকতার হোসেন, নিলক্ষিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাত্তার,
সাধুরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু , উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে বকশীগঞ্জ তরম্নন প্রজন্ম সংগঠনের উদ্যোগে রাসেল মাহমুদকে মেডিকেলের পোশাক ও প্রথম এবং দ্বিতীয় সেমিস্টারের বই প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও বকশীগঞ্জ শহরে রাসেলের বাবার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি দোকান ভাড়া করা হয়েছে। এই দোকানের মাধ্যমে তার বাবার কর্মসংস্থান হবে ।
ইতোমধ্যে দোকানের মালিক পড়্গের সঙ্গে ডিড সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বরিশাল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ লাভের পর টাকার অভাবে যখন ভর্তি হতে পারছিলেন না তখনই বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের পর সবার দৃষ্টিগোচরে পড়ে রাসেল মাহমুদ।
টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারবে না এমনটা হতে পারে না।
রাসেলের পরিবারে যখন হতাশার গ্লানি তাড়া করে ফিরছিল ঠিক তখনই সেই ছাত্রের পাশে দাঁড়ায় বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান সিদ্দিক।
তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে ধরনা ধরে রাসেলের ভর্তির ব্যবস্থা করে দেন। শুধু তাই নয় মেডিকেলে পড়ার জন্য শিক্ষাবর্ষে যা খরচ হবে তাও ব্যবস্থা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে অবশেষে এগিয়ে আসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ ।
তার দেয়া ৫ লক্ষে টাকায় বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার দড়িপাড়া গ্রামের দরিদ্র মেধাবী ছাত্র রাসেল মাহমুদ বরিশাল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় তার নামে ব্যাংক হিসাব নম্বর মঙ্গলবার খোলা হয়েছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিঃ এর বকশীগঞ্জ শাখায় স্ট্যান্ডার্ড বাংকে “ ইউএনও এবং রাসেল মেডিকেল”, হিসাব নম্বর-০১৭৩৪০০২২৪১ হিসাব নম্বরটি চালু করা হয়।
বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ মেডিকেলের ছাত্র রাসেল মাহমুদের পাঁচ বছরের পড়াশুনার খরচ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করলে সেই টাকাগুলো নতুন হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।
পড়াশুনার খরচ বাবদ প্রথম দুই বছর সাত হাজার , পরের বছর গুলোতে প্রতিমাসে নয় হাজার টাকা করে উত্তোলন করতে পারবে মেডিকেলের ছাত্র রাসেল মাহমুদ।
হিসাব নম্বরটি খোলার পর বকশীগঞ্জ ইউএনও’র কার্যালয়ে রাসেল মাহমুদ ও তার বাবা মোতালেব হোসেনের কাছে ফাইলটি হস্তান্তর করা হয়।
এসময় বকশীগঞ্জ ইউএনও আবু হাসান সিদ্দিক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. আকতার হোসেন, নিলক্ষিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাত্তার,
সাধুরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু , উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে বকশীগঞ্জ তরম্নন প্রজন্ম সংগঠনের উদ্যোগে রাসেল মাহমুদকে মেডিকেলের পোশাক ও প্রথম এবং দ্বিতীয় সেমিস্টারের বই প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও বকশীগঞ্জ শহরে রাসেলের বাবার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি দোকান ভাড়া করা হয়েছে। এই দোকানের মাধ্যমে তার বাবার কর্মসংস্থান হবে ।
ইতোমধ্যে দোকানের মালিক পড়্গের সঙ্গে ডিড সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
