বাঁশখালীতে পরিক্ষা দিতে এসেই সন্তানের মা হলেন ধর্ষিতা সমাপনী পরিক্ষার্থী

S M Ashraful Azom
0
 বাঁশখালীতে পরিক্ষা দিতে এসেই সন্তানের মা হলেন ধর্ষিতা সমাপনী পরিক্ষার্থী

শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের দিঘীর পাড়া এলাকার চা দোকানদার মো. নুরুল আলম কালু এর কন্যা ফাতেমা বেগম। বয়স মাত্র তেরো। সে বাড়ির নিকটবর্তী ১৩৪নং পূর্ব জলদি আদর্শ গ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। চলতি বছরের সমাপনী পরিক্ষার্থী সে।

ফাতেমার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মফজল আহমদের পুত্র নেজাম উদ্দীন, উলা মিয়ার পুত্র মন্নান, আজিজ আহমদের পুত্র মিনার প্রকাশ (সোনা মিয়া) তারা উভয়ই বিভিন্ন সময়ে ফাতেমাকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করলে সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। মেয়ের মা বলেন, এ বিষয়ে মেয়ে আমাদেরকে কোন কিছু আগে থেকে জানায়নি ভয়ে।

অবশেষে রবিবার (২৫ নভেম্বর) বাঁশখালী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিক্ষাকেন্দ্রে পরিক্ষা দিতে যায় ফাতেমা। ওখানেই পরিক্ষা চালাকালীন সময়ে ফাতেমার পেট ব্যাথা করলে ডিউটিরত এক শিক্ষিকা তাকে আলাদা কক্ষে পরিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু অবস্থা খারাপ দেখে মেয়ের মা ও বাবাকে তারা খবর দেয়। ওখানেই
ফাতেমা কন্যা সন্তানের প্রসব করে। কেন্দ্রের শিক্ষকদের সহায়তায় পরবর্তী তাকে বাঁশখালী উপজেলা হাসপাতালে আনা হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষক প্রতিবেশী ওই তিন জনকে অভিযুক্ত করেন ধর্ষিতার মা। বাঁশখালী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন ঘটনার সাথে জড়িত ধর্ষক নেজাম উদ্দিনকে আটক করেছে বলে জানান। অপর দুজন ধর্ষক পালতক আছেন।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, হাসপাতালে যখন শিশু মেয়েকে ও নবজাতক শিশুকে নিয়ে আসলে তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি জানান মেয়েটির বয়স কম হওয়ায় শারীরিকভাবে সে সন্তান প্রসবের উপযুক্ত ছিল না।

ধর্ষিতা শিশু ফাতেমার সহপাঠী শারমিন আক্তার ও তসলিমা ঘটনার সাথে জড়িতের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চায়। আমরা তার পেট বেড়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে কিছুই বলতো না।
⇘সংবাদদাতা: শিব্বির আহমদ রানা

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top