
জহুরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা অন্যায় আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। চেয়েছিলেন একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ যেখানে বৈষম্য থাকবেনা। মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম ত্যাগ স্বীকার করেও অনেক যোদ্ধা এদেশে প্রাপ্য সম্মান পাননি। অনেকেই অভিমান বুকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন পরপারে। বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলেও মানবেতর জীবন যাপন করছে এদেশে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও কাকন বিবি মারা গেলেন কোন অফিসিয়াল স্বীকৃতি ছাড়াই। অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের এখনো রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে প্রমাণ করতে হচ্ছে যে তিনি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা নন। তাদের আক্ষেপ আছে, আছে চাপা অভিমান।
ঠিক এমনই একজন বীরমুক্তিযোদ্ধার পরিচয় জানবোঃ
নামঃ আবুল কাশেম খান পিতাঃ আহম্মদ আলী খান, গ্রাম ও ডাকঘরঃ মৌলভীর চর, উপজেলাঃ দেওয়ানগঞ্জ জেলাঃ জামালপুর। তিনি ১১ নং সেক্টরের আওতায় নাসির উদ্দিন কমান্ডারের অধীনে রণাঙ্গনে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু, বিভিন্ন ঝামেলার কারণে তখন সনদ পাননি। তিনি চরআমখাওয়া ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।
মাননীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সাহেবের ভক্ত, নৌকার স্বার্থে আজীবন কাজ করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় ওপর মহলে অসংখ্যবার প্রচেষ্টা করেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ অফিসিয়ালি কোন সনদ তিনি পাননি। তিনি সংসার নিয়ে অস্বচ্ছল জীবন যাপন করে জীবদ্দশায় প্রাপ্য সম্মান না পেয়েই গত ০১/০৯/১৮ইং তারিখে ইন্তেকাল করেন।
কথাগুলো মরুহুমের সন্তান মিল্টন ভাই আবেগতাড়িত হয়ে বলছিলেন। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যেন জীবদ্দশায় প্রকৃত সম্মান আর মর্যাদা দেয়া হয়। যুদ্ধাহত, অস্বচ্ছল ও বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার যেন মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারেন।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।