
শামিম তালুকদার: দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জে ভূট্টার বাম্পার ফলনে দামও বাম্পার,কৃষক ঝুঁকছে ভূট্টা আবাদে। দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলায় এবার ভুট্টার বাম্পার ফলন হওয়ায় খুশি কৃষকরা। ধানের তুলনায় খরচ কম হওয়ায় এই দুই অঞ্চলে বেড়েছে ভূট্টার আবাদ।
আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আর ধানের তুলনায় ভুট্টা আবাদে খরচ কম হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা ঝুকে পরেছে ভুট্টা আবাদে। ধান আবাদে বেশী সেচ দিতে হয় এবং খরচও বেশী হওয়ায় এ অঞ্চলে ভুট্টার কৃষকরা ভূট্টা আবাদে ঝুকে পড়েছে।
এবারে ভুট্টা আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। ধান আবাদ করে অব্যাহত লোকসান গুনে এখানকার কৃষকরা ঝুঁকছেন ভূট্টা আবাদে। তুলনামুলক দাম ভালো পেলে খুশি হবে এ অঞ্চলের ভূট্টা চাষিরা। এমটি বলছেন বকশীগঞ্জের মাদারেরচর গ্রামের ভুট্টা চাষি রহমত আলী ও কেরামত আলী।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার এক কৃষক জানান,ভূট্টা কাটা মারা ইতেমেধ্যে প্রায় শেষের পথে।আর এরি মধ্যে চাতাল গুলোতে চলছে শুরু হয়েছে শুকানোর কাজ বাজারেও উঠেছে ভূট্টা।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার আমখাওয়া ইউনিয়নের জহুরুল ইসলাম বলেন, এলাকার যেসব জমিতে পূর্বে বোরোচাষ করা হত সেসব জমির অনেক গুলোতেই আমরা এবার ভুট্টাচাষ করেছি। বোরোচাষে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি অথচ যখন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয় তখন ধানের বাজারে ধস নামে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচই উঠেনা। কিন্তু ভূট্টার উৎপাদন খরচ যেমন কম দামও তেমন বেশি থাকে। এ জন্য আমরা ভুট্টা চাষে বেশি ঝুঁকে পড়েছি। এবারে ভূট্টার ফলন ও দাম ভাল পাওয়ায় আমরা খুশি।
অপর দিকে, বকশীগঞ্জের জাগিরপাড়া গ্রামের সোনা মিয়া জানান, ভূট্টা চাষিরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এ অঞ্চলের ভূট্রার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘায় ফলন হবে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মন।
ধান-চালের মতো সরকারী ভাবে ভূট্টা ক্রয়সহ পোল্ট্রি ফিডের পাশাপাশি অন্যন্য খাদ্য তালিকায় ভূট্টার ব্যবহার বাড়ানো গেলে কৃষকরা ভূট্টা চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠবে বলে মনে করেন এ অঞ্চলের ভূট্টা চাষিরা।
⇘সংবাদদাতা: শামিম তালুকদার

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।