
জামালপুর সংবাদদাতা : অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রিয় ডটকমের সাব এডিটর ইহসান ইবনে মিজান ওরফে ফাগুন (২১)’র মরদেহ জামালপুর থেকে উদ্ধার করেছে জিআরপি পুলিশ। ফাগুন শেরপুর জেলা সংবাদদাতা এবং শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাকন রেজার ছেলে। তার বাড়ি শেরপুরের চকবাজার এলাকায়।
পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে বাসে বাড়ি ফেরার পথে ফাগুন নিখোঁজ হন। পরদিন জামালপুর রানাগাছা মধ্যপাড়া রেললাইনের পাশ থেকে বেওয়ারিশ লাশ উদ্ধার করে জিআরপি পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে হস্তান্তর করা হয়। জানাজার আগ মহুর্তে জানাজানি হয় ফাগুন শেরপুরের এনটিভির সাংবাদিক কাকন রেজার ছেলে। ফাগুন প্রিয় ডটকমের সাব এডিটর। তাৎক্ষণিকভাবে জামালপুরের সাংবাদিকদের সহায়তায় ফাগুনের লাশ শেরপুরে প্রেরণ করা হয়। এ সময় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। সন্ধ্যায় শেরপুরে নিহত ফাগুনের লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
জামালপুর জিআরপি থানার (ওসি) তাপস চন্দ্র পন্ডিত জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রানাগাছা মধ্যপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক যুবককের লাশ উদ্ধার করা হয়। পোস্টমর্টেমের পর বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
নিহত সাংবাদিক ইহসান ইবনে মিজান ফাগুনের বাবা সাংবাদিক কাকন রেজা জানান, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার সময় মুঠোফোনে ফাগুনের সাথে তার কথা হয়। সে তাকে জানিয়েছে, বাসযোগে ঢাকা থেকে শেরপুরের বাড়িতে আসছে। সাংবাদিক কাকন রেজা আরো বলেন, ফাগুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার জানামতে ফাগুনের সাথে কারো শত্রুতা নেই। কি কারণে খুন করেছে তাও জানা নেই। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান বলেন-ধারণা করা হচ্ছে, মৃতদেহের মাথায় আঘাতের ফলে মগজ বেরিয়ে আসে। এতে সে মার যায়।
ওদিকে শেরপুর-জামালপুরের সাংবাদিক মহাল ফাগুন হত্যার ঘটনার ক্ষোভ-নিন্দা জানিয়েছেন। একই সাথে হত্যার মুটিভ উদ্ধারসহ দ্রæত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
⇘সংবাদদাতা: জামালপুর সংবাদদাতা

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।