
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শহরগছি হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের পারইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই গ্রামের আয়েজ উদ্দীনের মেয়ে একই গ্রামে আত্মীয়তার সুবাদে মামার বাড়ীতে বেড়াতে যায়। গত ২৫ আগস্ট রোববার দুপুরে ওই বাড়ীর আঙ্গিনায় মামাতো ভাই শরিফুল ইসলামের সাথে সে লুডু খেলছিল। লুডু খেলার একপর্যায়ে মেয়েটিকে শরিফুল সেখানে তাকে অপেক্ষা করতে বলে তার মোবাইল ফোনটি রেখে নিজ ঘরে চলে যায়। এরপর ঘরে গিয়ে তার স্ত্রী মনখুশিকে লুডু খেলতে পাঠিয়ে দিয়ে শরিফুল তার নিজ ঘরে অবস্থান করছিল।
এদিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মনখুশি তার স্বামী শরিফুলের রেখে যাওয়া ফোনটি তাদের ঘরে রেখে আসতে বলে মেয়েটিকে। মেয়েটি ঘরে ফোন রাখতে গেলে তার মামাতো ভাই শরিফুল তাকে ঘরের ভেতর রেখে বাইর থেকে সিটকিনি বন্ধ করে দেয়। ওই ঘরে পূর্বে থেকে অবস্থান করা শরিফুলের বন্ধু প্রতিবেশী লিটন মিয়া মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
মেয়েটির চিৎকারে পাশের বাড়িতে অবস্থানরত তার বাবা এগিয়ে এলে লম্পট লিটন মিয়া জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় মেয়ের বাবা আয়েজ উদ্দীন বাদী হয়ে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) একেএম মেহেদী হাসান জানান, ওই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেয়েটিকে উদ্ধার করে শারীরিক পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামী গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।