
বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা থেকে অতিদরিদ্র, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-তাত্তি¡ক গোষ্ঠি ও নদী ভাঙনে আক্রান্ত পরিবারের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এই উপজেলার সাত টি ইউিনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৪৮ টি পরিবার এই ঘর পাবেন। ইতোমধ্যে ঘর নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত¡াবধানে ঘর গুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। সরকারের এই ধরণের জনমুখী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মানুষ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকার অতিদরিদ্র, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ নৃ-তাত্তি¡ক গোষ্ঠি ও নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা প্রকল্পের টাকা দিয়ে এই ঘর নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করেন। বকশীগঞ্জ উপজেলায় ৪৮ টি পরিবারের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণের জন্য তালিকা তৈরি করা হয়।
প্রতিটি ঘর নির্মাণ করা হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকায়। ১০ ফিট করে আধা পাকা দুটি কক্ষ, একটি বাথরুম, একটি রান্নাঘর নির্মাণ হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসান মাহবুব খান জানান, দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে এবং ঘর গুলো হস্তান্তর করা হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। ঘর গুলো ভুক্তভোগীদের হস্তান্তর করা হলে তাদের জীবন মানের অনেক উন্নতি ঘটবে। পাশাপাশি তাদের সামাজিক মর্যাদাও বেড়ে যাবে।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।