
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আধাওে পুকুরে বীষ প্রয়োগে ৪/৫ বছরের পালিত শখের মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। গাইবান্ধা সদরের পূর্ব কোমরনই মিয়া পাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎ সেচ পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনাউর রহমান অনু মিয়ার নিজস্ব ৩৩ শতক পুকুরে এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানাযায় - ৮ই জুন ২ সকালে চাতালের কর্মী ময়নুল পুকুরে মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখেন।এরপর অনু মিয়াকে বাসা থেকে ডেকে আনেন। অনু মিয়া তার পুকুরের শখের মরা মাছ প্রথমে ১/২ টি ভেসে থাকতে দেখে তেমন কিছু মনে না করলেও যখন সমস্ত পুকুরে প্রায় ২০০/৩০০টি ৩/৪/৫ কেজী ওজনের মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পারেননি। তার চিতকারে পরিবার ও আশেপাশের লোকজন মরা মাছ গুলো ভাসতে দেখে অবাক হয়েছেন এবং আফসোস করেন। অনু মিয়া বলেন- প্রায় ৪/৫ বছর যাবত এই মাছ গুলো আমেরিকা প্রবাসী মেয়ে জামাই আসবে সেই উপলক্ষে অতি যতœসহকারে লালন পালন করে আসছি। কিন্তু কে বা কারা শত্রুতাবশত্ব বীষ প্রয়োগে মাছ গুলো মেরে ফেলেছে। আমি এই নিকৃষ্ট, দুষ্কৃতকারী ব্যক্তির কঠিন শাস্তি দাবী করছি। চাতাল কর্মী ময়নুল বলেন- আমরা সকালে চাতালে ধানের কাজ করার জন্য এসে পুকুরে মরা মাছ ভাসতে দেখি। এরপুর অনু ভাইকে ডাক দিই। এত বড়বড় পুরাতন মাছ মেরেছে। এটা খুবই দুঃখজনক। অপরাধীর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। সদর উপজেলা মৎস্য অফিসার সঞ্জয় কুমার বলেন- প্রাথথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে বীষ প্রয়োগ কিংবা গ্যাসের ট্যাবলেট প্রয়োগ করে মাছ গুলো মেরে ফেলা হয়েছে। তবে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বিস্তারিত জানা যাবে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন- বিষয়টি জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ এস আই অনন্ত কুমারকে পরিদর্শনে পাঠিয়েছিলাম। অপরাধীকে দ্রæত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আস্বস্থ করেন।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।