
সেবা ডেস্ক: প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। টাঙ্গাইলে পেঁয়াজ, রসুন, আলু ও ভোজ্যতেলের দাম কমলেও কিছুটা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি, বড় দানার মসুর ডালের। এছাড়া চাল, আটা, চিনির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে চড়া সবজির বাজার।
জানা যায়, শহরের পার্কবাজার, ছয়আনী বাজার, পাঁচআনী বাজার, বটতলা বাজার ও সরকারী বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টিসিবি থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এবারের বাজেটে নিত্যপণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বিশেষ করে চাল, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ভোজ্যতেল, চিনি ও ব্রয়লার মুরগির দাম কমানোর উদ্যোগ রয়েছে। এসব পণ্যের দাম কমাতে প্রস্তাবিত বাজেটে কর ও ভ্যাট কমানো হয়েছে। এ কারণে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না বলে বাজেট বক্তৃতায় জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। মূলত করোনার প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
ভোক্তারা বাজারে এসে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কিনা সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। বেশিরভাগ পণ্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকায় খুশি তারা। তবে টানা বৃষ্টির কারণে এখন সবজির বাজার চড়া। পার্ক বাজার থেকে নিত্যপণ্যের কেনাকাটা করছিলেন হাবিবুর রহমান।
তিনি বলেন, সাধারণত বাজেট ঘোষণার পরে বাজারে অনেক জিনিসের দাম বেড়ে যায়। এবার সেটা হয়নি। সবজি বাদে বরং অন্যান্য পণ্যের দাম কমে গেছে। সারাবছর বাজারে যাতে বাজেটের একটি প্রভাব থাকে সে ব্যাপারে সরকারের তদারকি থাকা প্রয়োজন। শুল্ক সুবিধা গ্রহণ করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই।
এদিকে, দাম কমে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২৫-৩৫, রসুন দেশী ৯০-১১০, আলু ২৬-৩০, ভোজ্যতেল পাঁচ লিটারের বোতল ৪৬৫-৫১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দাম বেড়ে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৫০, মসুর ডাল মোটা দানা ৭০-৮০, ছোলা ৬৫-৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সরু চাল ৫২-৬৪, মাঝারি মানের ৪৪-৫২ এবং মোটা চাল ৩৬-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। প্রতিকেজি চিনি ৬০-৬৫, ডিম ফার্ম ৩০-৩৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে সবজির। প্রতিকেজি সবজি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। পেঁয়াজ, রসুন, আলু, তেলে কমলেও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।