
সেবা ডেস্ক: বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মৃত্যু আতঙ্ক সারা বিশ্বকেই পেয়ে বসেছে। সবাই এখন মৃত্যুভয়ে শঙ্কিত। সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে করোনা মোকাবিলায়। সবাই দয়া করে সচেতনতা অবলম্বন করুন।
তিনি বলেন, করোনার ভয়ে তো আর মানুষকে না খাইয়ে মারা যাবে না। বেশি আক্রান্ত এলাকাগুলোতে লকডাউন করা হবে।
একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট ও অষ্টম অধিবেশনের চলমান মুলতবি বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। রোববার (১৪ জুন) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের মুলতবি বৈঠক শুরু হয়।
পরে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান পার্লামেন্টেরিয়ান মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হয়। সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী চলতি সংসদের কোনো এমপি মারা গেলে তাদের সম্মানে শোক প্রস্তাব আনা হয়। তবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ টেকোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ায় এভাবে শোক প্রস্তাব আনার সুযোগ নেই। কিন্তু সংসদে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়। আর শোক প্রস্তাবে তাকেও স্মরণ করা হয়।
এর আগে ১০ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। এর পরের দিন বৃহস্পতিবার ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপিত হয়। এরপর সংসদের বৈঠকে ১৪ জুন বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। করোনাকালের অধিবেশন হিসেবে বরাবরের মতোই কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন মন্ত্রী-এমপিরা।
সংসদে উপস্থিত সবাইকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করে সংসদ ভবন ছাড়াও অধিবেশন কক্ষে ঢুকতে হয়। এছাড়া নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে নির্ধারিত এমপিদের সংসদে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এজন্য যারা আজ যাওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত, শুধু তারাই অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। এ সময় সবাই মাস্ক পরেছিলেন। সবার তাপমাত্রাও মাপা হয়েছে। অসুস্থ ও বয়স্ক এমপিরা সংসদে যাননি।
বাজেট উপলক্ষে সংসদের কর্মকর্তাদের করোনাভাইরাস পরীক্ষার পর ৮ জুন পর্যন্ত ৪৩ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। তারও আগে সংসদ সচিবালয়ে দায়িত্বরত ৮২ জন ব্যাটালিয়ন আনসার ও তিন জন পুলিশ করোনায় আক্রান্ত হন।
এ পর্যন্ত ১০ জন মন্ত্রী-এমপি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সবার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।