
সেবা ডেস্ক: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ইমামদের বাল্যবিয়ে না পড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন সখীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপজেলার সকল মসজিদের সভাপতিকে পাঠানো ইউএনও আসমাউল হুসনা লিজা স্বাক্ষরিত একটি পত্রে নির্দেশনা দেওয় হয়।
ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার প্রায়শই মসজিদের ইমাম ও মুন্সিগণ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বর ও কনের কাবিননামা ব্যাতিরেকে অবৈধভাবে বাল্যবিয়ে পড়াচ্ছেন। এতে করে মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাল্যবিয়ে শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। সখীপুরের কোন মসজিদের ইমাম ও মুন্সি বাল্যবিয়ের সাথে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী অনধিক দুই বছর অন্যুন ৬ মাসের কারাদ- বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন এবং অর্থদ- অনাদায়নে ৩ মাসের কারাদ- এবং তাঁর নিয়োগ বাতিল হবে। ইমাম ও মুন্সি বাল্যবিয়ের সাথে জড়িত থাকলে উক্ত মসজিদের সভাপতিকেও এ দায়ভার বহন করতে হবে বলেও নির্দেশনায় বলা হয়। এর ব্যত্যয় হলে সভাপতি ও মসজিদ কমিটির সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, বাল্য বিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। এর থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মুজিববর্ষে সরকার বাল্যবিয়ে শূণ্যের কোঠায় আনার জন্য কাজ করেছে। তাই যে কেউই বাল্য বিয়ের সাথে জড়িত থাকুক না কেন তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। এসময় সখীপুরকে বাল্যবিয়ে শূণ্যের কোঠায় আনার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।