সেবা ডেস্ক: আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রায় আবহাওয়া কেমন থাকবে? ১৬ ও ১৭ মার্চ বৃষ্টির সম্ভাবনাসহ ঈদের দিন বজ্রবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সর্বশেষ পূর্বাভাস জেনে নিন।
![]() |
| ঈদুল ফিতরে কেমন থাকবে আবহাওয়া? ঈদযাত্রা ও ঈদের দিনের পূর্বাভাস |
ঈদের দিন ও ঈদযাত্রায় যেমন থাকবে আবহাওয়া
আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার ব্যাকুলতা আর উৎসবের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির মাঝেই আকাশের ‘অভিমানী’ রূপ এখন অনেকের কপালেই চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস বলছে, অকাল বৃষ্টি আর মেঘের এই আনাগোনা খুব সহজে থামছে না; বরং মানুষের আনন্দময় ঈদযাত্রায় সঙ্গী হতে পারে বৃষ্টির ঝাপটা।
ঈদের দিনের পূর্বাভাস ও কালবৈশাখীর শঙ্কা
ঈদের আর আনুমানিক সাত দিনের মতো বাকি। এই অবস্থায় সার্বিক আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক জানান, আপাতত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঈদের দিন দেশের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা হবে খুবই সাময়িক।
তিনি আরও জানান, বছরের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস হলো কালবৈশাখী ঝড়ের উপযুক্ত সময়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে বড় ধরনের কোনো কালবৈশাখী আঘাত না হানলেও, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে এটি বিক্ষিপ্তভাবে আঘাত হানতে পারে।
১৬ ও ১৭ মার্চ বৃষ্টিতে বিঘ্নিত হতে পারে ঈদযাত্রা
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ১৬ ও ১৭ মার্চ দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। ঠিক ওই সময়টাতেই বেশিরভাগ মানুষ ঈদের ছুটি কাটাতে গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হবেন। ফলে এই হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রায় বেশ কিছুটা বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
নাজমুল হক বলেন, ১৬ ও ১৭ তারিখের পর বৃষ্টিপাতে একটি সাময়িক বিরতি আসতে পারে। তবে আকাশ একেবারেই বৃষ্টিহীন হয়ে যাবে, এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু এখন মার্চ মাস চলছে, তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় অল্প সময়ের জন্য বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। যেখানেই বৃষ্টি নামবে, সেখানে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টার মতো দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
বাতাসের গতিবেগ ও দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের সীমাবদ্ধতা
আবহাওয়া অফিস আশ্বস্ত করেছে যে, দেশের কোথাও একটানা দীর্ঘসময় ধরে ভারী বৃষ্টি হবে না। তবে কোথায় কোথায় এই সাময়িক বৃষ্টিপাত হবে, তা এত আগে থেকে সুনির্দিষ্টভাবে বলা মুশকিল। কারণ প্রতিদিনই দৈনন্দিন পূর্বাভাসে ছোটখাটো পরিবর্তন আসে।
ঈদের এই সময়ে খুব প্রলয়ংকরী ঝড়ের আশঙ্কা নেই জানিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার না হয়ে বরং ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকতে পারে। এর পাশাপাশি কোথাও কোথাও বিজলি চমকানো বা বজ্রপাতের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
সবশেষে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের সীমাবদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সাধারণত তিন দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস সবচেয়ে নিখুঁতভাবে বলা সম্ভব হয়। পূর্বাভাসের সময়সীমা যত দীর্ঘ হয়, এর সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা বা অ্যাকুরেসি স্বাভাবিকভাবেই তত কমতে থাকে।
সূত্র: /সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশ্যে আপোষহীন
বাংলাদেশ- নিয়ে আরও পড়ুন







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।